.jpeg)
ফাইল ছবি।
শেষ আপডেট: 30 April 2025 09:02
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভারত ও পাকিস্তানের (India and Pakistan) মধ্যে যুদ্ধের সম্ভাবনা প্রবল হতেই তৎপর হয়ে উঠেছে আমেরিকা (America)। দুই দেশকেই আপাতত ‘ধীরে চলো’ (go slow) নীতি অনুসরণের পরামর্শ দিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন (Donald Trum administration) ।
মঙ্গলবার রাতে দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর (Narendra Modi) সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে পাকিস্তানকে জবাব দিতে সেনা বাহিনীকে স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। বৈঠকে নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল এবং তিন বাহিনীর প্রধান উপস্থিত ছিলেন। ওই বৈঠকের আগে সেনাকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং।
এরপর ভারতীয় সময় মঙ্গলবার বেশি রাতে হোয়াইট হাউসের তরফে মার্কিন সরকারের প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করা হয়। মার্কিন বিদেশ মন্ত্রকের মুখমাত্র ট্রৈমি ব্রুশ বলেন, ভারত ও পাকিস্তানের শীর্ষ পর্যায়ে হোয়াইট হাউসের যোগাযোগ আছে। লাগাতার কথা হচ্ছে নয়াদিল্লি ও ইসলামাবাদের কর্তাদের সঙ্গে। আমেরিকা চায় দুই দেশ আলোচনায় বসুক। সংঘাতের পথ এড়াক। আমেরিকা নিজেদের মতো করে যুদ্ধ থামানোর চেষ্টা চালিয়ে যাবে, জানিয়েছেন মার্কিন মুখপাত্র।
ট্রাম্পের মুখপাত্র আরও জানিয়েছেন, শুধু দুই দেশের সঙ্গে আলোচনাই নয়, একাধিক কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক স্তরে আলোচনা চালানো হচ্ছে যাতে ভারত ও পাকিস্তান যুদ্ধে জড়িয়ে না পড়ে।
মার্কিন প্রশাসনের যুদ্ধ না করার এই উদ্যোগ নিয়ে কূটনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। একাধিক মহল মনে করছে, আমেরিকা তার দাপট ও প্রভাব বিস্তাতের সুযোগ হিসাবে দেখছে চলতি পরিস্থিতিকে। তাছাড়া ট্রাম্প যখন ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যে যুদ্ধ থামাতে তৎপর তখন ভারত ও পাকিস্তান সংঘাতে জড়িয়ে পড়লে তাতে ট্রাম্পের যুদ্ধ বিরোধী তৎপরতা প্রশ্নের মুখে পড়বে।
আমেরিকার পাশাপাশি চিনও তৎপর ভারত-পাক যুদ্ধ থামাতে। কারণ, দুই দেশে, বিশেষ করে পাকিস্তানে তাদের বিপুল বিনিয়োগ রয়েছে। যুদ্ধ বাঁধলে চিনা শিল্প সংস্থাগুলিও বিপাকে পড়বে। নয়াদিল্লি ও ইসলামাবাদের সঙ্গে লাগাতার যোগাযোগ রেখে চলছে সৌদি আরবও। তারাও চাইছে পরিস্থিতি যেন যুদ্ধ পর্যন্ত না গড়ায়।