
প্রতীকী ছবি
শেষ আপডেট: 1 November 2024 13:13
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সাত বছরের শিশুকে ধর্ষণ করে খুন করার অপরাধে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হল গ্রামের পাহারদারকে। ঘটনাটা ২০২৩ সালের। প্রথমে শিশুটিকে জলে ডুবিয়ে মারার চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু তাতে কাজ না হওয়ায় পাথর দিয়ে মেরে মাথা থেঁতলে দেওয়া হয়।
অভিযুক্তের বিরুদ্ধে পকসো মামলা দায়ের হলে দোষী সাব্যস্ত হয় ওই পাহারাদার। মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি ১.২৫ লক্ষ টাকা জরিমানা দিতেও বলা হয়েছে। এই অর্থ ক্ষতিপূরণ হিসেবে মৃতের পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।
গত বছরের ৩০ ডিসেম্বর। আগরার এত্মাদপুরে বাড়ির বাইরে খেলা করছিল সাত বছরের ওই শিশু। অভিযুক্ত সেই গ্রামেই পাহারাদার কাজ করত। খেলা করতে দেখে শিশুটিকে ভুলিয়ে-ভালিয়ে নিরিবিলি এলাকায় নিয়ে হয়ে সেখানেই ধর্ষণ করে অভিযুক্ত।
প্রমাণ লোপাটের জন্য প্রথমে জলে ডুবিয়ে মারতে চাইলেও তাতে ব্যর্থ হয়। পরে পাথর দিয়ে মাথা থেঁতলে দেওয়া হয়। পাশের মাঠে শিশুর দেহ ফেলে রেখে পালিয়ে যায় ওই পাহারাদার।
এলাকার সিসি ক্যামেরার ফুটেজে অভিযুক্তের সঙ্গে শিশুটিকে দেখা গিয়েছিল। আগরার এসিপি সুকন্যা শর্মার নেতৃত্বে তদন্তকারী দল ঘটনাস্থল থেকে পাওয়া চুলের সঙ্গে অভিযুক্তের ডিএনএ মিলিয়ে দেখে। পকসো আদালতে তাঁর বিরুদ্ধে ১২ জন সাক্ষ্য দিয়েছিলেন। সব কিছু বিবেচনা করে বিচারক অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করেন ও মৃত্যুদণ্ডের সাজা শোনান।