
শেষ আপডেট: 12 December 2023 12:05
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বাজারে পেঁয়াজের দাম এমনিতেই ছ্যাঁকা লাগতে শুরু করেছে। গত তিন মাস ধরে পেঁয়াজের দাম কমার ইঙ্গিত নেই। বরং এখনও কলকাতার বাজারে কোথাও কোথাও ৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে পেঁয়াজ। একটু বেছে পেঁয়াজ কিনতে গেলে রিটেল স্টোরে ৭৯টাকা কেজি দরেও পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে। ফলে বাধ্য হয়ে পেঁয়াজ রফতানিতে পুরোপুরি নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে নরেন্দ্র মোদী সরকার। এর মধ্যেই রসুনের দামও চড়তে শুরু করে দিয়েছে।
উত্তর ভারতে কিছু এলাকা বাদ দিয়ে দেশের সর্বত্র রসুনের ভালমতো চাহিদা রয়েছে। গত কয়েকদিনে দেখা যাচ্ছে রসুনের দাম বেড়ে দ্বিগুণ হয়ে গিয়েছে। এখন কমবেশি ৪০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে রসুন। আরও বড় বিষয় হল, এখনই সেই দাম কমার কোনও ইঙ্গিতও পাওয়া যাচ্ছে না।
আসলে পাইকারি বাজারে রসুনের দামও লাফিয়ে বেড়েছে। ইকোনমিক টাইমসের খবর অনুযায়ী, রসুনের দাম পাইকারি বাজারে বেড়ে হয়েছে কেজি প্রতি ১৩০ থেকে ১৪০ টাকা। একটু ভাল মানের রসুন হলে তার দাম পাইকারি বাজারে এখন কেজি প্রতি ২২০ থেকে ২৫০ টাকা।
কিন্তু কেন রসুনের দাম বাড়ল?
চলতি বছরে আবহাওয়ার কোনও ধারাবাহিকতা ছিল না। কোথাও অনাবৃষ্টি হয়েছে, কোথাও অতিবৃষ্টি। যা সামগ্রিক ভাবে উৎপাদনে প্রভাব ফেলেছে। চাহিদার তুলনায় জোগান কম থাকার কারণেই রসুনের দাম লাফিয়ে বেড়ে গিয়েছে। একই কারণেই বেড়েছে পেঁয়াজের দামও।
কদিন আগে যে মিগজাউম ঘূর্ণিঝড় এসেছিল, তার ফলে বৃষ্টিতে প্রচুর রসুন ক্ষেতেই নষ্ট হয়েছে। মূলত সেই কারণে বাজারে রসুনের জোগানের ঘাটতি তৈরি হয়েছে।
বাজার বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, নতুন উৎপাদন না হলে রসুনের দাম এখনই কমার কোনও ইঙ্গিত নেই। এমনিতেই শীতকালে রসুনের দাম একটু বাড়ে। কারণ, উৎপাদন কম হয়। এবার তা সঙ্কটের চেহারা নিয়েছে।
কলকাতায় রসুনের দাম এরই মধ্যে বেড়ে গিয়েছে। এমনকি রিটেল ও অনলাইন রিটেল স্টোরগুলিতেও ৪১০টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে রসুন।