
শেষ আপডেট: 16 April 2024 23:56
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ছত্তীসগড়ে নিহত মাওবাদীর সংখ্যা বাড়ল।মঙ্গলবার রাতে কাঁকের জেলা পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, বস্তার ডিভিশনে পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় আধাসেনার যৌথবাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে ২৯ জন মাওবাদীর মৃত্যু হয়েছে। মাওবাদীদের পুরোপুরি নির্মূল না করা পর্যন্ত অভিযান চলবে, জানিয়ে দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। শুধু তাই নয়, শাহের বার্তা, "ভারত শীঘ্রই সম্পূর্ণ নকশাল মুক্ত হবে।"
লোকসভা ভোটের ৩ দিন আগে মাওবাদী দমনে বড় সাফল্য পেয়েছে নিরাপত্তারক্ষীরা। ছত্তিশগড়ে নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে মৃ্ত্যু হয়েছে ২৯ জন মাওবাদীর মৃত্যু হয়েছে। পালটা হামলায় ৩ নিরাপত্তারক্ষীও আহত হয়েছেন। এদিনের সফল অভিযানের জন্য নিরাপত্তা বাহিনীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
একইসঙ্গে শুধু ছত্তিসগড় নয়, গোটা ভারত সম্পূর্ণ নকশাল মুক্ত হবে, এমনই বার্তা দেন অমিত শাহ। এক্স হ্যান্ডলে তিনি লিখেছেন, ‘‘নরেন্দ্র মোদী সরকারের আক্রমণাত্মক নীতি এবং নিরাপত্তা বাহিনীর প্রচেষ্টার কারণে নকশালপন্থা এখন একটি ছোট অঞ্চলে সীমাবদ্ধ হয়ে গিয়েছে। শীঘ্রই ছত্তীসগঢ়-সহ গোটা দেশ সম্পূর্ণ নকশাল মুক্ত হবে।” আহত পুলিশকর্মীদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
এদিন নিহত মাওবাদীদের মধ্য রয়েছেন, নিষিদ্ধ সিপিআই (মাওবাদী) সংগঠনের প্রথম সারির নেতা শঙ্কর রাও। যাঁর মাথার দাম ছিল ২৫ লক্ষ টাকা। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করা হয়েছে একাধিক একে-৪৭ রাইফেল এবং বেশকিছু গ্রেনেড। । গোপন সূত্রে খবর পেয়ে মঙ্গলবার দুপুরের দিকে যৌথ অভিযান শুরু করে বিএসএফ এবং ডিস্ট্রিক্ট রিজার্ভ ফোর্স। এই ফোর্স ২০০৮ সালে মাও দমনের লক্ষ্যেই তৈরি হয়েছিল।
বস্তারের আইজি জানিয়েছেন, এই অভিযানকে সাম্প্রতিক সময়ের সবথেকে বড় মাওবাদী দমন অভিযান বলা যেতে পারে। এখনও ওই এলাকায় তল্লাশি অভিযান চলছে। আরও মাওবাদী লুকিয়ে থাকতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে।
ছত্তীসগড় সরকারের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৩-এর ডিসেম্বর থেকে এখনও পর্যন্ত সে রাজ্যে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে ৬৮ জন মাওবাদীর মৃত্যু হয়েছে। লড়াইয়ে নিহত হয়েছেন ৬ জন জওয়ান। আগামী ১৯ এপ্রিল প্রথম দফায় বস্তারে ভোট হওয়ার কথা। স্বাভাবিকভাবেই ভোটের আগে এই অভিযানকে সাফল্য হিসেবে দেখছেন বাহিনীর কর্তারা।