ফাইল ছবি
শেষ আপডেট: 28 December 2024 16:20
দ্য ওয়াল ব্যুরো: রাজঘাটে নয়, শনিবার দুপুরে দিল্লির নিগমবোধ ঘাটে শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়েছে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের। এত বড় একজন রাষ্ট্রনেতার বিষয়ে কীভাবে এমন আচরণ করতে পারে কেন্দ্র, ইতিমধ্যে সে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন বিরোধীরা। এবার সেই ঝাঁঝ কয়েকগুণ বাড়িয়ে দিলেন আম আদমি পার্টির সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরিওয়াল।
শনিবার দুপুরে নিজের এক্স হ্যান্ডেলে কেজরিওয়াল পলেখেন, ‘এই খবর শুনে আমি স্তম্ভিত। ভারতের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের শেষকৃত্য নিগম ঘাটে সম্পন্ন হয়েছে। কিন্তু এর আগে ভারতের সমস্ত প্রধানমন্ত্রীর সৎকারের কাজ হয়েছে রাজঘাটে।'
এর আগে পর্যন্ত সব প্রধানমন্ত্রীদের শেষকৃত্যের কাজ হয়েছে রাজঘাটেই। কিন্তু মনমোহন সিংয়ের সময় সেই প্রথা বদলেছে মোদী সরকার। শনিবার নিগম ঘাটেই হয়েছে শেষকৃত্যের কাজ। সে কারণে কেন্দ্রের মোদী সরকারের সমালোচনায় সরব হয়েছে বিরোধীরা। এবার সেই ইস্যুতেই মোদীকে একহাত নিলেন কেজরিওয়াল।
দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী প্রশ্ন তোলেন, শিখ সমাজের একজন মানুষ, সারা দুনিয়ায় তাঁর জনপ্রিয়তা ছিল এবং দীর্ঘ ১০ বছর প্রধানমন্ত্রীর পদ সামলানোর পর মোদী সরকার সেই মহান মানুষটির শেষকৃত্যের জন্য ১০০০ গজ জায়গা দিতে পারলেন না?
ये खबर सुनकर मैं स्तब्ध हूँ।
— Arvind Kejriwal (@ArvindKejriwal) December 28, 2024
भारत के प्रधानमंत्री डॉ मनमोहन सिंह जी का अंतिम संस्कार निगम बोध घाट पर किया गया। इसके पूर्व भारत के सभी प्रधानमंत्रियों का अंतिम संस्कार राजघाट पर किया जाता था।
सिख समाज से आने वाले, पूरी दुनिया में ख्याति प्राप्त, 10 वर्ष भारत के प्रधानमंत्री रहे…
বছর ঘুরলেই দিল্লির বিধানসভা ভোট। তাকেই পাখিরর চোখ করে ইতিমধ্যে ময়দানে নেমে পড়েছে আম আদমি পার্টি। যে কোনও ইস্যুতেই বিজেপিকে কড়া চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিতে মরিয়া তাঁরা। শুক্রবারই প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর মৃত্যুর পর তাঁকে ভারত রত্ন সম্মান দেওয়ার জন্য মোদী সরকারকে ভেবে দেখার কথা জানিয়েছে আপ। এবার রাজঘাটে চিরাচরিতভাবে কেন মনমোহন সিংয়ের শেষকৃত্য হল না তা নিয়ে কেন্দ্রকে আক্রমণ করলেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল।
মনমোহন সিংয়ের স্মৃতিসৌধর জমি নিয়ে শুরু হয়েছে নয়া বিতর্ক। শুক্রবার মধ্যরাতের পর পিআইবি-র তরফে বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়, কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গেকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ফোন করে মনমোহনের স্মৃতিসৌধ নির্মাণের জমি দেওয়ার কথা জানিয়েছেন। পরে তা নিয়ে বিজেপির একসময়ের জোটসঙ্গী বন্ধু দল শিরোমনি আকালি দলের নেতা সুখবীর সিং বাদল সমাজমাধ্যমে পোস্ট করে জানান, সৌধর জমির জন্য মনমোহনের পরিবারের অনুরোধ কেন্দ্রের প্রত্যাখ্যান করা খুবই নিন্দনীয়। যদিও কেন্দ্রের তরফে শুক্রবার মধ্যরাতেই মনমোহনের স্মৃতিসৌধ দিল্লিতেই নির্মাণ করার বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে অমিত শাহের মন্ত্রক।
২০১৫ সালেই মোদী সরকার আইন করে জানিয়ে দেয় রাজঘাটে কাউকে আলাদা করে স্মৃতিসৌধর জমি দেওয়া হবে না। এরপর সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রশ্ন উথেতে শুরু করে শেষকৃত্যের স্থানে সৌধ নির্মাণের অনুমতি না দিলে অপমান করা হবে শিখ সমাজকেই। এরপর রাত ন’টার পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক জানায়, নিগমবোধ ঘাটে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় মনমোহনের শেষকৃত্য হবে। কেন রাজঘাট থেকে শেষকৃত্য নিগমবোধ ঘাটে গেল তা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। মধ্যরাতে স্পষ্ট হয় জমির জন্যই সরেছে শেষকৃত্যের স্থান।