Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
IPL 2026: টানা চতুর্থ হারে কোণঠাসা কেকেআর, ৩২ রানে ম্যাচ জিতল সিএসকে‘ভূত বাংলো’য় সেন্সর বোর্ডের কাঁচি! বাদ গেল ৬৩টি দৃশ্য, ছবির দৈর্ঘ্য কমতেই চিন্তায় অক্ষয়ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

দিল্লিতে আপ-কংগ্রেস বোঝাপড়া, প্রচার এখনও যার যার তার তার

দিল্লিতে আপ-কংগ্রেস বোঝাপড়া, প্রচার এখনও যার যার তার তার

শেষ আপডেট: 17 April 2024 10:29

দ্য ওয়াল ব্যুরো: অনেক চেষ্টার পর স্বয়ং রাহুল গান্ধী এবং অরবিন্দ কেজরিওয়ালের মধ্যস্থতায় লোকসভা ভোটে দিল্লিতে আম আদমি পার্টি ও কংগ্রেসের মধ্যে আসন সমঝোতা হয়েছে। সাতটি আসনের তিনটিতে কংগ্রেস এবং চারটিতে আপ লড়াই করছে। এখন লোকসভায় দুই দলের কোনও সাংসদ দিল্লি থেকে নেই। সাত সাংসদই বিজেপির। যদিও দিল্লি বিধানসভার ছবিটা সম্পূর্ণ ভিন্ন। সেখানে বিজেপির বিধায়ক মাত্র আটজন। আপ ও কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব নিশ্চিত যৌথ লড়াইয়ের সুবাদে দুই দলই এবার লোকসভায় খাতা খুলতে পারবে। 

কেজরিওয়াল জেলে যাওয়ার অনেক আগে এই বোঝাপড়া তৈরি হলেও যৌথ প্রচারের কিন্তু নামগন্ধ নেই। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীকে গ্রেফতারের প্রতিবাদে রাজধানীর রামলীলা ময়দানের সভায় ইন্ডিয়া জোটের শীর্ষ নেতারা হাজির ছিলেন। কেজরিওয়াল পত্নী সুনীতার সঙ্গে সেদিন মঞ্চে দীর্ঘ সময় কথা বলেন সনিয়া ও প্রিয়ঙ্কা গান্ধী। কেজরিওয়ালের গ্রেফতার পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে রাহুল গান্ধী মঞ্চের পিছনে আপ নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করেন। জানা যাচ্ছে, সেই সভাই শুরু এবং শেষ। তারপর থেকে কেজরিওয়ালের মুক্তির দাবিতেও দুই দলের যৌথ কর্মসূচি নেই। এমনকী নামগন্ধ নেই ভোট নিয়ে যৌথ প্রচারেরও। 

রামলীলার সেই সভায় রাজধানীর কংগ্রেসের যোগদান নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। দিনটা ছিল দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা প্রয়াত কংগ্রেস নেত্রী শীলা দীক্ষিতের জন্মদিন। আম আদমি পার্টির উত্থান হয়েছিল শীলার সরকারের বিরুদ্ধে লাগাতার আন্দোলনের ফলে। শীলাকে আপ নেতৃত্ব বারে বারে হেনস্থা করে বলে কংগ্রেসের অভিযোহ। ফলে কংগ্রেসের দিল্লির বহু নেতাই ওই সভা এড়িয়ে যান। যাননি তাঁদের সমর্থকেরাও।

বস্তুত সেই কারণেই আপের সঙ্গে আসন বোঝাপড়ায় রাজধানীর কংগ্রেসের আপত্তি ছিল বেশি। আপত্তি ছিল আপেও। কিন্তু কেজরিওয়াল-সহ একাধিক নেতা জেলে চলে যাওয়ায় আপের দিল্লির নেতারা অবস্থান বদল করে হাতে হাত রাখার সিদ্ধান্ত নেন। আশ্চর্যের হল তারপরও এখনও পর্যন্ত গলি থেকে রাজপথ, কোথাও যৌথ সভা হয়নি। স্বভাবতই বিজেপি এই ব্যাপারে খোঁচা দিতে ছাড়ছে না। তারা বলছে, জমিদার পার্টি কংগ্রেস হাতে ঝাড়ু (আপের প্রতীক) নিয়ে ঝাড়ুদার হতে নারাজ। অন্যদিকে, আপের কর্মী-সমর্থকেরাও জানেন, মদকাণ্ডে কংগ্রেসই প্রথম আপের বিরুদ্ধে ডিলারশিপ বিলিয়ে টাকা তোলার অভিযোগ দায়ের করেছিল। কংগ্রেস নেতার এফআইআরকে হাতিয়ার করেই সিবিআইকে তদম্তের নির্দেশ দেন উপ-রাজ্যপাল। সেই সত্য চেপে আসন বোঝাপড়ার জবাব মানুষ ইভিএমে দেবে। 

বিজেপির অভিযোগ মিথ্যে নয়। আপ ও কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব যৌথ প্রচারে নিচুতলার কর্মী-সমর্থকদের মাঠে নামাতে ব্যর্থ। যা থেকে একটি বিষয় স্পষ্ট হয়েছে, আপে কেজরিওয়াল বাদে আর কোনও নেতার নেতৃত্ব দলের নিচুতলা স্বীকার করে না। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীকে গ্রেফতারের পিছনে তাঁকে নির্বাচনী ময়দান থেকে দূরে রাখাই উদ্দেশ্য বলে মনে আপ অভিযোগ করে আসছে। দেখা যাচ্ছে, দিল্লিতে কংগ্রেসের সঙ্গে অনেক টানাপোড়েনের পরও কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে প্রচারে অনীহা রয়েছে দুই শিবিরেই। 

দিল্লির কংগ্রেস নেতারা একান্তে মানছেন, আগামী বছর দিল্লির বিধানসভার নির্বাচন। রাজধানীতে দলের প্রভাব এবং সংগঠন তলানীতে ঠেকেছে। এই অবস্থায় ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য বিধানসভায় আপের বিরুদ্ধে লড়াইটাই আসল। সেই লড়াই দুর্বল হয়ে যাবে লোকসভার বোঝাপড়ায়। যৌথ প্রচার যে সম্ভব হচ্ছে না তা মেনে নিয়েছেন আপের শীর্ষ নেতা সঞ্জয় সিং। প্রথমসারির নেতাদের মধ্যে সঞ্জয়ই আছেন যিনি ধারাবাহিকভাবে রাজনীতিতে যুক্ত এবং কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে যাঁর যোগাযোগ আছে। সূত্রের খবর, কেজরিওয়াল পত্নী এবং দিল্লি প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি অরবিন্দ সিং লাভলি যৌথ প্রচারের জন্য একত্রে বিবৃতি দিতে পারেন।


```