গত বছর ১৭ সেপ্টেম্বর দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর পর থেকে ইস্তফা দেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল। তাঁর আগে পাঁচ মাস তিহার জেলে বন্দি ছিলেন দিল্লির মদ কেলেঙ্কারির মামলায়। কেজরিওয়াল ও তাঁর সরকার এবং দলের বিরুদ্ধে মদের লাইসেন্স বিলি করে ডিলারদের কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে মামলা করে সিবিআই এবং এনফোর্সমেন্ট ডাইরেক্টরেট।

শেষ আপডেট: 7 October 2025 15:13
দ্য ওয়াল ব্যুরো: তিনি দিল্লির তিনবারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। জাতীয় দল আদম আদমি পার্টির সর্বভারতীয় আহ্বায়ক। এই দুই পরিচয়ের কারণে দিল্লিতে তাঁর একটি সরকারি বাংলো প্রাপ্য। কিন্তু দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে দিল্লি হাইকোর্টে মামলা করে বাংলো আদায় করতে হল। দিল্লির লোধি এস্টেটে তার জন্য একটি টাইপ থ্রি বাংলো বরাদ্দ করেছে কেন্দ্রের নগরোন্নয়ন মন্ত্রক।
গত বছর ১৭ সেপ্টেম্বর দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর পর থেকে ইস্তফা দেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল। তাঁর আগে পাঁচ মাস তিহার জেলে বন্দি ছিলেন দিল্লির মদ কেলেঙ্কারির মামলায়। কেজরিওয়াল ও তাঁর সরকার এবং দলের বিরুদ্ধে মদের লাইসেন্স বিলি করে ডিলারদের কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে মামলা করে সিবিআই এবং এনফোর্সমেন্ট ডাইরেক্টরেট। কেজরিওয়াল মুখ্যমন্ত্রী হিসাবেই জেলে ছিলেন। তিনি মুস্তাফা দিয়ে মন্ত্রী অতিশীকে মুখ্যমন্ত্রী করেন। ফলে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর জন্য বরাদ্দ সরকারি বাংলো তাকে ছেড়ে দিতে হয়।
কেজরিওয়াল মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন দিল্লিতে নতুন করে মুখ্যমন্ত্রী আবাস তৈরি করেন। সেই বাংলো তৈরিতে বিপুল অর্থ খরচের অভিযোগ তুলেছিল বিজেপি। তখনই তাঁরা জানিয়ে দেয় ক্ষমতায় ফিরতে পারলে তাঁদের দলের মুখ্যমন্ত্রী ওই বাংলোই থাকবেন না। বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা, তাঁর ব্যক্তিগত বাড়িতেই থাকেন।
প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে কেজরিওয়ালের একটি বাংলো প্রাপ্য। শুধু তাই নয় তার দল আম আদমি পার্টি এখন সর্বভারতীয় দল হিসেবে স্বীকৃত। সর্বভারতীয় দলের শীর্ষ নেতাকে দিল্লিতে একটি সরকারি বাংলো বরাদ্দ করা হয়ে থাকে।
এই দুই মানদণ্ডে বাংলো প্রাপ্য হলেও আপ নেতাকে তা দেওয়া হয়নি এতদিন। কেজরিওয়াল এজন্য দিল্লি হাইকোর্টে মামলা করেছিলেন। সেখানে অবশ্য কালক্ষেপ না করে কেন্দ্রের নগর উন্নয়ন মন্তক জানিয়ে দেয় তারা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে যত দ্রুত সম্ভব বাংলো বরাদ্দ করবে। আপ সূত্রের খবর, লোধি এস্টেটে তার জন্য একটি বাংলো বরাদ্দ হয়েছে। তবে তিনি সেখানে এখনো যাননি। আপের একটি সূত্র জানাচ্ছে কেজরিওয়াল ওই বাংলো নাও নিতে পারেন। দলীয় সূত্রে বলা হচ্ছে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তাঁর আরও বড় এবং সুব্যবস্থা সম্পন্ন বাংলা প্রাপ্য বলে ক্যাজুয়াল মনে করেন।