
হেড কনস্টেবল এইসসি থিপ্পান্না
শেষ আপডেট: 14 December 2024 17:43
দ্য ওয়াল ব্যুরো: অতুল সুভাষের পর এবার বেঙ্গালুরুর এক পুলিশকর্মী স্ত্রীর বিরুদ্ধে অত্যাচারের অভিযোগ তুলে উর্দি পরা অবস্থায় আত্মহত্যা করলেন। শনিবার পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বেঙ্গালুরু পুলিশের এক কনস্টেবলও সুইসাইড নোটে তাঁর স্ত্রী ও শ্বশুরবাড়ির লোকের বিরুদ্ধে অত্যাচারের অভিযোগ জানিয়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন।
গোটা দেশ যখন বিহারবাসী বেঙ্গালুরুতে কর্মরত তথ্যপ্রযুক্তি কর্মী অতুল সুভাষের আত্মহত্যার ঘটনা নিয়ে শিউরে উঠেছে, ঠিক তখনই একই শহরে একই ধরনের দ্বিতীয় আত্মহত্যার ঘটনা সামনে এল। অতুল সুভাষও মৃত্যুর আগে ভিডিও এবং ২৪ পাতার একটি নোটে সবিস্তারে স্ত্রী ও শ্বশুরবাড়ির লোকের নিয়মিত মানসিক অত্যাচার-দুর্ব্যবহারের কথা বলে গিয়েছেন।
এবার বেঙ্গালুরু পুলিশের কর্মরত ৩৪ বছর বয়সি হেড কনস্টেবল এইসসি থিপ্পান্নার আত্মহত্যার ঘটনা নিয়েও আলোড়ন পড়েছে। থিপ্পান্না শহরের হুলিমাভু ট্রাফিক থানায় কাজ করতেন। বিজয়পুরা জেলার সিংধাগি শহরের কাছে হান্ডিগানুরু গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন থিপ্পান্না। শুক্রবার রাতে তিনি চলন্ত ট্রেনের সামনে ঝাঁপ দিয়ে নিজেকে শেষ করে দেন।
পুলিশ জানিয়েছে, সুইসাইড নোটে ওই হেড কনস্টেবল তাঁর মৃত্যুর জন্য স্ত্রী ও শ্বশুরকে দায়ী করে গিয়েছেন। তিনি লিখে গিয়েছেন, তাঁর স্ত্রী ও শ্বশুর যমুনাপ্পা দীর্ঘদিন ধরে তাঁর উপর অত্যাচার চালাচ্ছিলেন। তাঁকে খুনেরও হুমকি দেওয়া হতো। তাই তিনি এই পথ বেছে নিচ্ছেন। তাঁর মন একেবারে ভেঙে গিয়েছে, জীবনের প্রতি হতাশ হয়ে পড়েছেন।
তিনি আরও লিখেছেন, ১২ ডিসেম্বর আমার শ্বশুর আমাকে ডেকে পাঠান। সন্ধ্যা ৭টা ২৬ মিনিট নাগাদ আমি যাই দেখা করতে। তাঁর সঙ্গে আমার ১৪ মিনিট কথা হয়েছে। উনি আমাকে হুমকি দিয়েছেন। পরে ফোন করে আমাকে বলেন, তুমি মরে যাও। তোমাকে ছাড়া আমার মেয়ে খুব ভালো থাকবে। পুলিশ এই সুইসাইড নোট পেয়ে আত্মহত্যায় প্ররোচনা সহ বিভিন্ন ধারায় মামলা দায়ের করেছে।