
প্রতীকী ছবি
শেষ আপডেট: 26 December 2024 12:12
দ্য ওয়াল ব্যুরো: কথার ছলে ৮ বছরের মেয়েটিকে নিজের ঘরে নিয়ে গেছিল ইরশাদ। তাকে ধর্ষণ করাই উদ্দেশ্য ছিল। কিন্তু তাতে বাধা দেয় নাবালিকা। শেষমেশ রাগের বশে তাকে খুন করে ব্যাগ ভরে দেয় ওই যুবক। তারপর ফেলে দেয় একটি প্রাথমিক স্কুলের পাঁচিলের পাশের আবর্জনার মধ্যে! মারাত্মক ঘটনাটি ঘটেছে বারাণসীতে। অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তবে তাকে গ্রেফতার করতে কয়েক রাউন্ড গুলি চালাতে হয়েছে পুলিশকে।
বারাণসীর সুজাবাদ এলাকায় ঘটেছে এই ঘটনা। বাহাদুরপুর স্কুলের সামনের একটি সিসিটিভি ফুটেজে ধরা পড়েছে ইরশাদের একটি ব্যাগ নিয়ে যাওয়ার দৃশ্য। পুলিশ ওই ব্যাগ থেকেই ৮ বছরের মেয়েটির দেহ উদ্ধার করেছে। তার শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন মিলেছে। অনুমান, ধর্ষণে বাধা পেয়ে তার ওপর শারীরিক অত্যাচার করেছে ইরশাদ। পরে তার শ্বাসরোধ করে খুন করেছে।
সিসিটিভি ফুটেজে শুধু ইরশাদের ব্যাগ নিয়ে যাওয়া নয়, মেয়েটিকে নিজের সঙ্গে বাড়ি নিয়ে যাওয়ার ছবিও ধরা পড়েছে। তাতেই পুলিশ নিশ্চিত হয়েছে যে এই ঘটনায় সে একাই অভিযুক্ত। পুলিশ জানতে পেরেছে, মেয়েটির প্রতিবেশী ছিল ইরশাদ। বেশ কয়েকদিন ধরেই তাকে ধর্ষণ করবে বলে টার্গেট করেছিল। তবে অবশেষে সফল হতে না পেরে মেয়েটিকে খুন করেছে।
পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, ধর্ষণে বাধা পেয়ে মেয়েটির মাথায় পাথর দিয়ে আঘাত করে তাকে খুন করেছে ইরশাদ। তার আগে বেধড়ক মারধরও করা হয়েছিল তাকে, এমন প্রমাণও মিলেছে। তারপর মৃতদেহ একটি ব্যাগে ঢুকিয়ে তা স্কুলের দেওয়ালের সামনে ফেলে দেয় সে। সিসিটিভি ফুটেজ দেখে ইরশাদকে গ্রেফতার করতে গেলেই পুলিশের ওপর গুলি চালিয়েছিল ইরশাদ। পাল্টা গুলি চালায় পুলিশও। কিছুক্ষণ শুটআউটের পরই তাকে পাকড়াও করতে সক্ষম হয় তারা।
স্থানীয় সূত্রে খবর, মেয়েটির বাবা অটোচালক। গত মঙ্গলবার মশা মারার ধূপ নিয়ে আসার জন্য মেয়েকে দোকানে পাঠিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু সে আর ফিরে আসেনি। রাত হয়ে যাওয়ায় পুলিশে অভিযোগ করেন ব্যক্তি। তারপরই প্রকাশ্যে আসে এই ভয়ানক ঘটনা।