
শেষ আপডেট: 7 February 2024 15:22
দ্য ওয়াল ব্যুরো: কেরলের কোঝিকোড়ের একটি আদালত এক ব্যক্তিকে ১৩৩ বছর কারাবাসের সাজা দিয়েছে। সেই সঙ্গে আট লাখ আশি হাজার টাকা জরিমানা করেছে আদালত।
কোর্ট সূত্রে জানা গিয়েছে, দুই নাবালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে আদালত তিনটি আইনের একাধিক ধারায় সাজার মেয়াদ নির্ধারণ করেছে।
১৩৩ বছরের জেলের সাজার নজির খুব বেশি নেই। সাধারণত, একাধিক ধারায় দীর্ঘ সাজা হলে আদালত যাবজ্জীবন কারাবাসের রায় দিয়ে থাকে। কেরলের আদালত সেই পথে না হেঁটে ১৩৩ বছর কারাবাসের সাজা দিয়েছে। বিচারক আশরফ এ এম বলেছেন, অপরাধীদের কঠোর বার্তা দিতেই এই সাজা দেওয়া হয়েছে।
দুই নাবালিকা সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তির মেয়ে। পুলিশ জানিয়েছে, স্ত্রীর অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে বছর চল্লিশের ওই ব্যক্তি তার বড় মেয়েকে এক বছর ধরে ধর্ষণ করে। ১৩ বছরের ওই নাবালিকাকে ধর্ষণের পাশাপাশি ১১ বছরের শিশু কন্যাকে যৌন লাঞ্ছনা করার অভিযোগ ছিল অভিযুক্তের বিরুদ্ধে।
আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, বড় মেয়ের কিছু শারীরিক সমস্যার সূত্র ধরে স্ত্রীর সন্দেশ হয়। মেয়ে যৌন নির্যাতনের শিকার বুঝতে পেরে তিনি একান্তে কথা বলে জানতে পারেন স্বামীই অপকর্মের সঙ্গে যুক্ত।
দুই মেয়ের মা স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্যকে স্বামীর অপরাধের কথা জানালে চাইল্ড লাইন সূত্রে পুলিশ খবর পেয়ে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে। ঘটনাটি দু বছর আগের।
আদালত জানিয়েছে, ঘটনার নৃশংসতাকে বিবেচনায় নিয়ে পকসো, জুভেনাইল জাস্টিস এবং ফৌজদারি দণ্ডবিধির ধারায় অভিযুক্তের বিচার হয়।
বড় মেয়ের উপর যৌন লাঞ্ছনার ঘটনায় অভিযুক্তকে ১২৩ বছর কারাবাসের সাজা দেয় আদালত। আরও দশ বছর সাজা হয় ছোট মেয়ের প্রতি অপরাধের কারণে।
আদালত জেলা শিশু অধিকার সুরক্ষা কমিটিতে অবিলম্বে দুই নাবালিকাকে আর্থিক ক্ষতিপূরণের নির্দেশ দিয়েছে।