Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
IPL 2026: টানা চতুর্থ হারে কোণঠাসা কেকেআর, ৩২ রানে ম্যাচ জিতল সিএসকে‘ভূত বাংলো’য় সেন্সর বোর্ডের কাঁচি! বাদ গেল ৬৩টি দৃশ্য, ছবির দৈর্ঘ্য কমতেই চিন্তায় অক্ষয়ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

অক্টোবরে বেকারি বেড়ে ১০ শতাংশ, সেপ্টেম্বরে ছিল ৮ শতাংশের নিচে

বেকারি নিয়ে খারাপ খবর দিল আর্থিক বিশেষজ্ঞ সংস্থা সেন্টার ফর মনিটরিং ইন্ডিয়ান ইকোনমি। তারা জানিয়েছে, অক্টোবর মাসে দেশে কর্মহীন মানুষের সংখ্যা ছিল ১০ শতাংশ, যা আগের মাসের তুলনায় দুই শতাংশের কিছু বেশি। আর বিগত বছর অক্টোবরে এই হার ছিল সাত শতাংশের সামান্য বেশি।

অক্টোবরে বেকারি বেড়ে ১০ শতাংশ, সেপ্টেম্বরে ছিল ৮ শতাংশের নিচে

শেষ আপডেট: 3 November 2023 10:00

দ্য ওয়াল ব্যুরো: আর দিন বারো পর ভারত কল্যাণ সংকল্প যাত্রা শুরু করতে চলেছে কেন্দ্রীয় সরকার। নরেন্দ্র মোদী সরকারের রথ ছুটবে দেশের নানা প্রান্তে। রথ সওয়ারিরা প্রচার করবেন বিগত সাড়ে নয় বছরে মোদী সরকার দেশবাসীর কল্যাণে কী কী কাজ করেছে।

সেই মেগা প্রচার কর্মসূচি শুরুর আগে বেকারি নিয়ে খারাপ খবর দিল আর্থিক বিশেষজ্ঞ সংস্থা সেন্টার ফর মনিটরিং ইন্ডিয়ান ইকোনমি,'সিএমআই' সংক্ষিপ্ত নামেই যে সংস্থা দেশে-বিদেশে পরিচিত। তারা জানিয়েছে, অক্টোবর মাসে দেশে কর্মহীন মানুষের সংখ্যা ছিল ১০ শতাংশ, যা আগের মাসের তুলনায় দুই শতাংশের কিছু বেশি। আর বিগত বছর অক্টোবরে এই হার ছিল সাত শতাংশের সামান্য বেশি। বেকার বলতে ধরা হয় কত মানুষ কাজ চেয়ে পাচ্ছে না। পরিসংখ্যান বিজ্ঞানে নমুনা সমীক্ষা থেকে সামগ্রিক চিত্র বের করার উপায় বলা আছে। 

বেসিরকারি সংস্থা সিএমআই - র রিপোর্টকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে থাকে প্রশাসনিক মহল ও শিক্ষা জগৎ। একাধিক রাজ্য সরকার এই প্রতিষ্ঠানকে অর্থনীতিক পরামর্শদাতা হিসাবে নিয়োগ করেছে বিভিন্ন সময়। বাংলায় বাম জমানায় আর্থিক সংস্কারের পিছনে এই সংস্থার সুপারিশ গ্রহণ করেছিল সরকার। 

সিএমএমই জানিয়েছে, তাদের সমীক্ষা অনুযায়ী শহরের তুলনায় গ্রামে কর্মসংস্থানের হার প্রায় আড়াই শতাংশ কম। যা ইঙ্গিত করে শহরের উত্তর কাজের সন্ধানে পরিযায়ী শ্রমিকের বাড়তি চাপ। 

মোদী সরকার ক্ষমতায় আসার কয়েক বছর পর থেকেই দাবি করতে শুরু করেছে দেশে কর্মসংস্থানে তারা নজির তৈরি করেছে। যদিও বছরে দু কোটি মানুষের কর্মসংস্থানের সরকারি প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন কোনও রিপোর্টে দেখা যায়নি। উল্টে সরকারের পরিসংখ্যান নিয়ে প্রশ্ন তোলায় বিপাকে পড়েছেন সরকারি আধিকারিকেরা। 
 
সিএমআইই লাগামহীন বেকারি, কর্মহীনতার যে কারণ উল্লেখ করেছে তাও সরকারের জন্য অস্বস্তিকর। বলা হয়েছে, করোনা মহামারী পরিবর্তী আর্থিক পরিস্থিতির বেহাল দশাই এর কারণ। বিরোধীরা করোনার আগে থেকেই বিমুদ্রাকরণ এবং তড়িঘড়ি জিএসটি চালু করা নিয়ে সরব। তাদের বক্তব্য, এই দুই ভুল সিদ্ধান্তে ছোট দোকানি এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প মার খেয়েছে, যেখানে বিপুল কর্মসংস্থান হয়। সেগুলি বেশিরভাগ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বহু মানুষ কাজ হারিয়েছেন।

কোনও কোনও আর্থিক বিশেষজ্ঞ একশো দিনের কাজের প্রকল্পে ঢিলেমিকেও গ্রামে কাজের অভাবের কারণ হিসাবে তুলে ধরেছে। পশ্চিমবঙ্গে এই প্রকল্পে টাকা দেওয়া বন্ধ করে রেখেছে কেন্দ্র। অন্যদিকে, গোটা দেশে এই প্রকল্পে বরাদ্দ কমিয়ে দিয়েছে মোদী সরকার। ফলে পরিযায়ী শ্রমিকের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে।


```