.webp)
শেষ আপডেট: 28 November 2023 17:21
দ্য ওয়াল ব্যুরো: অবশেষে ব়্যাট হোল পদ্ধতিতে মিলেছে সাফল্য। পাহাড়ের গায়ে পাথর খোঁড়ার কাজ শেষ। ‘ইদুঁরের গর্ত’ দিয়ে মঙ্গলবার দুপুরেই শ্রমিকদের কাছে পৌঁছে গিয়েছেন উদ্ধারকারীরা। এবার শুরু চূড়ান্ত উদ্ধারপর্ব।
আর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই উদ্ধারের কাজ শেষ হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। শ্রমিকদের বাইরে নিয়ে আসার পর তৎক্ষণাৎ তাঁদের চিকিৎসার প্রয়োজনে সুড়ঙ্গের মধ্যেই তৈরি করা হয়েছে ৮ শয্যার অস্থায়ী হাসপাতাল। তৈরি রাখা হয়েছে বিভিন্ন রোগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের। এমনকী আপৎকালীন প্রয়োজনে আনা হয়েছে চিনুক হেলিকপ্টারও। চিনিয়ালিসাউর এয়ারস্ট্রিপে দাঁড় করানো রয়েছে ওই হেলিকপ্টার।
উত্তরাখণ্ডের মুখ্য়মন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি জানিয়েছেন, আটকে থাকা শ্রমিকদের উদ্ধারে সবধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
এছাড়াও সুড়ঙ্গের বাইরেও রাখা হয়েছে একাধিক অ্যাম্বুলেন্স। স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে অ্যাম্বুলেন্সে করে শ্রমিকদের পাঠানো হবে চিনিয়ালিসাউর হাসপাতালে। ইতিমধ্যে আটকে থাকা শ্রমিকদের জন্যে ওই হাসপাতালে ৪১টি শয্যার একটি বিশেষ ওয়ার্ড প্রস্তুত রাখা হয়েছে। সেখানেই হবে তাঁদের চিকিৎসা। শারীরিক চিকিৎসার পাশাপাশি তাঁদের মেন্টাল কাউন্সেলিংয়ের ব্যবস্থাও রাখা হচ্ছে।
কারণ, টানা ১৭ দিন সূর্যের আলো দেখতে পাননি দেশের ৪১ জন শ্রমিক। সেই তালিকায় রয়েছেন এরাজ্যের ৩ জন শ্রমিকও। তাই তাঁদের মনোবল বৃদ্ধিতে বাইরে আসার পর মেন্টাল কাউন্সেলিং জরুরি বলেই মনে করা হচ্ছে।
সূত্রের খবর, এই মুহুর্তে ধ্বংসস্তূপের মধ্য দিয়ে শ্রমিকদের উদ্ধারের জন্য পাইপ বসানোর কাজ সম্পূর্ণ। ৮০০ মিলিমিটার প্রশস্ত পাইপ দিয়ে এক একজন করে শ্রমিক বাইরে বের হতে পারেন। তবে এক্ষেত্রে বাইরে আসতে হলে হামাগুড়ি দিয়ে আসতে হবে। টানা ১৭ দিন অন্ধকূপে আটকে থাকার ফলে শ্রমিকদের পক্ষে তা সম্ভব নয়। তাই হামাগুড়ির পরিবর্তে স্ট্রেচারে করেই বাইরে আনা হবে তাঁদের। চলছে শেষ মুহূর্তের সেই প্রস্তুতি।