Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
IPL 2026: টানা চতুর্থ হারে কোণঠাসা কেকেআর, ৩২ রানে ম্যাচ জিতল সিএসকে‘ভূত বাংলো’য় সেন্সর বোর্ডের কাঁচি! বাদ গেল ৬৩টি দৃশ্য, ছবির দৈর্ঘ্য কমতেই চিন্তায় অক্ষয়ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

প্রতি ১৩ দিনে একজন অপরাধীকে হত্যা! যোগী রাজ্যে ৭ বছরে ১৩ হাজার এনকাউন্টার

২০১৭ সালের ২০ মার্চ থেকে ২০২৪ সালের ৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই বিপুল সংখ্যক এনকাউন্টারের দৌলতে রেকর্ড গড়েছে যোগী রাজ্যের পুলিশ।

প্রতি ১৩ দিনে একজন অপরাধীকে হত্যা! যোগী রাজ্যে ৭ বছরে ১৩ হাজার এনকাউন্টার

ফাইল ছবি।

শেষ আপডেট: 7 September 2024 10:00

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ১৩ দিন অন্তর একজন অপরাধীকে গুলি করে হত্যা! গত ৭ বছরে পুলিশের এনকাউন্টারের মোট সংখ্যা ১২ হাজার ৯৬৪! উত্তরপ্রদেশে পুলিশের ট্র্যাক রেকর্ডই জানাচ্ছে এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য।

সংবাদ সংস্থা সূত্রের খবর, ২০১৭ সালের ২০ মার্চ থেকে ২০২৪ সালের ৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই বিপুল সংখ্যক এনকাউন্টারের দৌলতে রেকর্ড গড়েছে যোগী রাজ্যের পুলিশ। অপরাধীদের পাল্টা প্রতিরোধে মৃত্যু হয়েছে ১৭ জন পুলিশ কর্মীরও। নিহতের তালিকায় রয়েছে ২০৭ জন কুখ্যাত অপরাধীও।

উত্তরপ্রদেশের ক্ষমতায় আসার পরই যোগীর সরকার মাফিয়া, দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে ‘জ়িরো টলারেন্স’ নীতি নেয়। রাজ্যকে অপরাধমুক্ত করতে তখন থেকেই ঢালাও ক্ষমতা দিয়ে দেওয়া হয়েছে পুলিশ-প্রশাসনকে। তারই নিট ফল উঠে এসেছে সরকারি পরিসংখ্যানে।

পুলিশের দাবি, যাঁদের এনকাউন্টার করা হয়েছে, এদের সকলেই তালিকাভুক্ত চিহ্নিত অপরাধী। অনেকের বিরুদ্ধে আর্থিক মূ্ল্যের ঘোষণা ছিল। উত্তর প্রদেশ পুলিশের ডিজি প্রশান্ত কুমারের দাবি, এনকাউন্টারগুলিতে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশিকা অনুসরণ করা হয়েছে, তাই আজ একটি ঘটনা নিয়েও কোনও প্রশ্ন নেই। 

প্রশাসন সূত্রের খবর, সবচেয়ে বেশি এনকাউন্টার হয়েে মিরাট জোনে। সেখানে ২০১৭ সাল থেকে এখনও পর্যন্ত মোট ৩ হাজার ৭২৩টি এনকাউন্টারে ৬৬ জন কুখ্যাত অপরাধীকে হত্যা করা হয় এবং গ্রেফতার করা হয় ৭ হাজার ১৭ জন দুষ্কৃতীকে।

এনকাউন্টারে খতম দুষ্কৃতীদের মধ্যে অনেকেরই বিরুদ্ধে আর্থিক পুরস্কারের ঘোষণাও করা হয়েছিল। খতমদের তালিকায় রয়েছে ২জন যাদের প্রত্যেকের মাথার দাম ৫ লক্ষ টাকা ঘোষণা করেছিল যোগী সরকার। একইভাবে ধরে দিতে পারলে আড়াই লক্ষ টাকার পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছিল ৪ জনের বিরুদ্ধে।

শুধু স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ) নয়, কমিশনারেট এবং জেলাগুলির পুলিশও গুন্ডাদের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়েছে বললে দাবি করেছেন উত্তরপ্রদেশের ডিজি।

প্রসঙ্গত, যোগী রাজ্যের পুলিশের বিরুদ্ধে নিরপরাধ মানুষকে দুষ্কৃতী সাজিয়ে খুন করার অভিযোগে বারে বারে সরব হয়েছে বিরোধীরা। সরকারি পরিসংখ্যান সামনে আসার পর তা নিয়ে নতুন করে শোরগোলও তৈরি হয়েছে। তবে ডিজি প্রশান্ত কুমার বলেন, অপরাধীদের বরদাস্ত করার প্রশ্নই ওঠে না, তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের এই ধারা অব্যাহত থাকবে। 


```