.jpeg)
প্রথম দশের নাম ঘোষণা করছে পর্ষদ।
শেষ আপডেট: 2 May 2025 20:37
দ্য ওয়াল ব্যুরো: মাধ্যমিকে প্রথম হয়েছে আদৃত সরকার। রায়গঞ্জের করোনেশন উচ্চ বিদ্যালয়ের এই ছাত্র পেয়েছে ৭০০-র মধ্যে ৬৯৬। পর্ষদ সভাপতি জানিয়েছেন, এবছর মাধ্যমিকে প্রথম দশে রয়েছে ৬৬ জন ছাত্রছাত্রী। তবে প্রথম স্থানে রয়েছে এই একজনই (WB Madhyamik Result 2025)।
যুগ্মভাবে দ্বিতীয় মালদহের রামকৃষ্ণ মিশন বিবেকানন্দ বিদ্যামন্দিরের অনুভব বিশ্বাস ও বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুর হাইস্কুলের সৌম্য পাল। তাঁদের প্রাপ্ত নম্বর ৬৯৪।
তৃতীয় স্থানে কোতুলপুর সরোজবাসিনী স্কুলের ইশানী চক্রবর্তী। তার প্রাপ্ত নম্বর ৬৯৪।
এর পরেই চতুর্থ নিরোল উচ্চ বিদ্যালয়ের মহম্মদ সেলিম। ও কাঁথি হাইস্কুলের সুপ্রতিক মান্না। তাদের প্রাপ্ত নম্বর ৬৯২।
পঞ্চম স্থানে রয়েছে চারটি নাম। গৌরহাটি হরদাস ইনস্টিটিউটের সিঞ্চন নন্দী, কামারপুকুর আর.কে.মিশন মাল্টিপারপাস স্কুলের চৌধুরী মহঃ আসিফ, ইটাচুনা শ্রী নারায়ণ ইনস্টিটিউশনের দীপ্তজিৎ ঘোষ এবং নরেন্দ্রপুর আর কে মিশন বিদ্যালয়ের সোমতীর্থ করণ। তাদের প্রাপ্ত নম্বর ৬৯১।
এর পরে ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে পাঁচটি করে নাম। ফালাকাটা উচ্চ বিদ্যালয়ের অউঞ্চ দে, বিবেকানন্দ শিক্ষানিকেতন উচ্চ বিদ্যালয়ের জ্যোতিপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়, গোরাসোলে মুরালিধর হাই স্কুলের রুদ্রনীল মাসান্তা, টাকি রামকৃষ্ণ মিশন হাই স্কুলের অঙ্কন মণ্ডল, সারদা বিদ্যাপীঠ উচ্চ বিদ্যালয়ের অভ্রদীপ মণ্ডল। সকলেরই প্রাপ্ত নম্বর ৬৯০।
সপ্তম হয়েছে পাঁচজন, ফালাকাটা উচ্চ বিদ্যালয়ের দেবার্ঘ্য দাস, গঙ্গারামপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের অঙ্কন বসাক, বিবেকানন্দ শিক্ষানিকেতন উচ্চ বিদ্যালয়ের অরিত্রা দে, বাঁকুড়া মিশন গার্লস হাই স্কুলের দেবাদৃতা চক্রবর্তী, অমরগড় উচ্চ বিদ্যালয়ের সৌরিন রায়। তারা পেয়েছে ৬৮৯।
অষ্টম স্থানে আছে ১৬ জন। একজন কলকাতার ছাত্রীও রয়েছে। রামকৃষ্ণ সারদা মিশন সিস্টার নিবেদিতা গার্লস স্কুলের অবন্তিকা রায়। এছাড়াও আছে তুফানগঞ্জের নৃপেন্দ্র নারায়ণ মেমোরিয়াল হাই স্কুলের অনির্বাণ দেবনাথ, রায়গঞ্জের সারদা বিদ্যামন্দিরের সত্যম সাহা, জয়েনপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের আসিফ মেহবুব, টার্গেট পয়েন্ট (আর) স্কুল উচ্চ বিদ্যালয়ের মোঃ ইনজামাম উল হক, রামকৃষ্ণ মিশন বিবেকানন্দ বিদ্যামন্দিরের সৃজন প্রামাণিক, রামকৃষ্ণ মিশন বিবেকানন্দ বিদ্যামন্দিরের অরিত্র সাহা, বিবেকানন্দ শিক্ষানিকেতন উচ্চ বিদ্যালয়ের শুভ্রা সিংহমহাপাত্র, রামপুরহাট জিতেন্দ্রলাল বিদ্যাভবনের অরিজিৎ মণ্ডল এবং স্পন্দন মৌলিক, নব নালন্দা শান্তিনিকেতন হাই স্কুলের শ্রীজয়ী ঘোষ, বর্ধমান বিদ্যার্থী ভবন গার্লস হাই স্কুলের পাপড়ি মণ্ডল, কংসাবতী শিশু বিদ্যালয়ের সৌপ্তিক মুখোপাধ্যায়, বেলদা প্রভাতী বালিকা বিদ্যাপীঠের উদিতা রায়, মনসুকা লক্ষ্মীনারায়ণ উচ্চ বিদ্যালয়ের অরিত্র সাঁতরা, নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন বিদ্যালয়ের পুষ্পক রত্নম। সকলেই পেয়েছে ৬৮৮।
নবম হয়েছে একাধিক জন। তুফানগঞ্জ নৃপেন্দ্র নারায়ণ মেমোরিয়াল হাই স্কুলের দেবাঙ্কন দাস, কালিয়াগঞ্জ সরলা সুন্দরী উচ্চ বিদ্যালয়ের মৃনয় বসাক, বালুরঘাট হাইস্কুলের অনীক সরকার, বাঁকুড়া মিশন গার্লস হাই স্কুলের অরিত্রী মণ্ডল, দুবরাজপুর শ্রীশ্রী সারদেশ্বরী বিদ্যামন্দিরের দিশা ঘোষ, কাঁকুরিয়া দেশবন্ধু উচ্চ বিদ্যালয়ের ময়ূখ বসু, বর্ধমান মিউনিসিপাল উচ্চ বিদ্যালয়ের পরমব্রত মণ্ডল, কামারপুকুর আর.কে.মিশন মাল্টিপারপাস স্কুলের অয়ন নাগ, বেলদা গঙ্গাধর অ্যাকাডেমির অঙ্কুশ জানা, বিবেকানন্দ মিশন আশ্রম শিক্ষায়তনের দ্যুতিময় মণ্ডল, কন্টাই মডেল ইনস্টিটিউটের ঐশিক জানা, শান্তিপুর মিউনিসিপ্যাল হাই স্কুলের প্রজ্জল দাস, প্রফুল্ল নগর বিদ্যামন্দিরের অনীশ দাস, জাঙ্গিপাড়া বালিকা বিদ্যালয়ের তানাজ সুলতানা। সকলেই পেয়েছে ৬৮৭।
৬৮৬ নম্বর পেয়ে দশম স্থানে আছে মোট ১৬ জন। রায়গঞ্জ করোনেশন উচ্চ বিদ্যালয়ের কৌস্তভ সরকার, মোজামপুর গার্লস হাই স্কুলের আমিনা বানু, সুজাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের উবে সাদাফ, বিবেকানন্দ শিক্ষানিকেতন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রিয়ম পাল, বিবেকানন্দ শিক্ষানিকেতন উচ্চ বিদ্যালয়ের তুহিন হালদার, কোটাসুর উচ্চ বিদ্যালয়ের দেবায়ন ঘোষ, গিরিজোর সাঁওতাল উচ্চ বিদ্যালয়ের শেখ আরিফ মণ্ডল, নব নালন্দা শান্তিনিকেতন হাই স্কুলের সম্যক দাস, কাসেমনগর বিএনটিপি গার্লস হাই স্কুলের স্বাগতা সরকার, চিলাডাঙ্গী রবীন্দ্র বিদ্যাবীথির অয়ন্তিকা সামন্ত, তমলুক হ্যামিলটন উচ্চ বিদ্যালয়ের সমন্বয় দাস, ধান্যশ্রী কে.সি. উচ্চ বিদ্যালয়ের বিশ্রুত সামন্ত, পরমানন্দপুর জগন্নাথ ইনস্টিটিউশনের সায়ন বেজ, মহিষাদল রাজ উচ্চ বিদ্যালয়ের সোহম সাঁতরা, সুন্দরবন আদর্শ বিদ্যামন্দিরের শৌভিক দিন্দা, মজিলপুর জে.এম. ট্রেনিং স্কুলের রাহুল রিক্টিয়াজ।
এ বছর মাধ্যমিকে পাশ করেছে ৮৬.৫৬ শতাংশ পরীক্ষার্থী, যা গত বছরের তুলনায় সামান্য বেশি। গত বছর পাশের হার ছিল ৮৬.৩১ শতাংশ। পাশের হারে জেলার হিসেবে শীর্ষে রয়েছে পূর্ব মেদিনীপুর। এরপর রয়েছে কালিম্পং, কলকাতা এবং পশ্চিম মেদিনীপুর। এবার পরীক্ষা দিয়েছেন ৯,৬৯,৪২৫ জন। গত বছরের তুলনায় এবছর ৬২ হাজারের বেশি ছাত্রছাত্রী মাধ্যমিক দিয়েছে।