
শেষ আপডেট: 15 February 2024 13:40
দ্য ওয়াল ব্যুরো: উত্তর দিনাজপুরের চোপড়ায় ৪ শিশুর প্রাণহানি হয়েছে। জেসিবি দিয়ে মাটি খোঁড়ার সময়ে চাপা পড়ে যায় তারা। এই ঘটনায় বিএসএফ-এর গাফিলতি আছে বলে অভিযোগ তোলা হয়েছে। তৃণমূলের প্রতিনিধি দল বৃহস্পতিবার এই ঘটনায় ডেপুটেশন দিতে রাজভবনে গেছিল। তাঁরা চান, রাজ্যপাল চোপড়ায় গিয়ে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখুন।
তৃণমূলের প্রতিনিধি দলে ছিলেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, অরূপ বিশ্বাস, কুণাল ঘোষ, ব্রাত্য বসু, উদয়ন গুহ। রাজভবনে রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করে তাঁরা আশ্বস্ত বলেই জানিয়েছেন। চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য বলেন, রাজ্যপালকে চোপড়া যাওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। সেখানে গিয়ে যাতে তিনি তদন্ত করেন। একই সঙ্গে যেন ঘটনা সম্পর্কে কেন্দ্রের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে অবগত করা হয়। কারণ বিএসএফ-এর বিরুদ্ধে অভিযোগ আছে। রাজ্যের মন্ত্রী জানান, রাজ্যপাল বোস চোপড়া যাওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।
চোপড়া নিয়ে কথা বলতে গিয়ে সন্দেশখালি প্রসঙ্গ উঠে আসে। তৃণমূলের বক্তব্য, রাজ্যপাল কোনও অভিযোগ পেলেই সেখানে চলে যান। সন্দেশখালির ঘটনাতেও তিনি তাই করেছেন। কেরল সফর কাটছাঁট করে ঘটনাস্থলে গেছিলেন। চোপড়াতেও তাঁর যাওয়া উচিত বলে দাবি কুণাল, ব্রাত্যদের। পাশাপাশি তাঁরা এও বলেছেন, সন্দেশখালি নিয়ে রাজ্যপাল যে রিপোর্ট দিয়েছেন তা ভুল তথ্যের ওপর নির্ভরশীল।
কুণালের বক্তব্য, রাজ্যপালের সন্দেশখালির রিপোর্ট ভিত্তিহীন কিছু অভিযোগের ওপর দাঁড়িয়ে, তা পক্ষপাতদুষ্ট। তাঁর উচিত রাজ্যের কাছ থেকেও রিপোর্ট নেওয়া এবং খতিয়ে দেখা যে কী হয়েছে সেখানে। এ ব্যাপারে রাজ্যের কাছে ইতিমধ্যে রিপোর্ট তলব করেছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস।
সোমবার সন্দেশখালি গিয়েছিলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। গ্রামবাসীদের সঙ্গে কথা বলে ফেরার আগে রাজ্যপাল জানিয়েছিলেন, "কথা দিচ্ছি, যাঁরা জড়িত, তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করা হবে। আমার যা ক্ষমতা আছে, তা দিয়েই আমি ব্যবস্থা নেব।’’ সূত্রের খবর, এ ব্যাপারে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে কড়া রিপোর্ট জমা দিয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে জানতে চেয়েছেন তিনি।