দ্য ওয়াল ব্যুরো : শুক্রবার দেশের সীমান্ত খুলে দিল স্লোভেনিয়া। তাদের ঘোষণা, আমাদের দেশ করোনা অতিমহামারী থেকে মুক্ত হয়েছে। যদিও সেখানে এখনও নতুন করে সংক্রমণের খবর পাওয়া যাচ্ছে। কিন্তু সেদেশের প্রধানমন্ত্রী জানেজ জানসা ঘোষণা করেছেন, “এখন ইউরোপে স্লোভেনিয়াতেই করোনা পরিস্থিতি সবচেয়ে ভাল। সুতরাং আমরা ঘোষণা করতেই পারি, আমাদের দেশে আর অতিমহামারী নেই।” দু’মাস আগে স্লোভেনিয়া সরকার ঘোষণা করে, তাদের দেশ অতিমহামারীর কবলে পড়েছে।
পার্বত্য দেশ স্লোভেনিয়ায় ২০ লক্ষ লোক বাস করে। তার একদিকে আছে ইতালি। করোনা অতিমহামারীতে যে দেশগুলি সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, ইতালি তার অন্যতম। স্লোভেনিয়ায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ১৫০০ জন। মারা গিয়েছেন ১০৩ জন। কিন্তু সংক্রমণের হার যথেষ্ট কমেছে। সরকার স্থির করেছে, ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত সব দেশের লোকের জন্য সীমান্ত খুলে দেওয়া হবে। তার বাইরের কোনও দেশের লোক স্লোভেনিয়ায় ঢুকতে চাইলে তাঁকে থাকতে হবে কোয়ারান্টাইনে। সরকার বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে, কোভিড ১৯ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা এখনও রয়েছে। সুতরাং কয়েকটা ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা বজায় রাখতেই হবে। সেদেশে এখনও একসঙ্গে অনেক লোককে জড়ো হতে দেওয়া হচ্ছে না। প্রকাশ্য স্থানে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
চলতি সপ্তাহের শুরুতে স্লোভেনিয়া সরকার জানিয়েছিল, আগামী সপ্তাহের শুরু থেকে শপিং সেন্টার ও হোটেল খোলার অনুমতি দেওয়া হবে। ফুটবল ম্যাচ ও অন্যান্য খেলাধুলা চালু হবে ২৩ মে থেকে।
ছোঁয়াচে রোগ বিশেষজ্ঞ মাতেজা লোগার বৃহস্পতিবার বলেন, “এখনও কোনও ইউরোপীয় দেশ দাবি করেনি তারা অতিমহামারীকে জয় করতে পেরেছে। সুতরাং স্লোভেনিয়া সম্পর্কে আমাদের সতর্ক থাকতে হবে।” তাঁর মতে, স্লোভেনিয়ায় করোনাভাইরাস এখনও রয়েছে।