
শেষ আপডেট: 17 October 2023 17:53
দ্য ওয়াল ব্যুরো, উত্তর ২৪ পরগনা: আর দু’দিন বাদেই মহাষষ্ঠীতে বেজে উঠবে বোধনের ঢাক। তারপরেই সময়ের দাবিতে বিসর্জন। সারা বছর যে উৎসবের দিকে তাকিয়ে থাকে বাঙালি, তার সমাপ্তিতে মনখারাপের মেঘ। টাকির পুবের বাড়িতে কিন্তু ছবিটা একটু অন্যরকম। বিসর্জনের পরেই একাদশী থেকে শুরু হয়ে যায় অভিনব এক ভোগের আয়োজন। মেতে ওঠেন মানুষ।
কথিত, বাপের বাড়ি থেকে দেবী যখন কৈলাসে মহাদেবের কাছে ফিরেছিলেন, তখন মহাদেব তাঁকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন বাপের বাড়ি থেকে কী খেয়ে এসেছো? উমা তখন জবাবে বলেছিলেন, ‘পান্তা আর কচু শাক’। সেই রীতি মেনেই টাকির পুবের বাড়িতে ৩০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে চলে আসছে বিসর্জনের পর পান্তাভাত ও কচুশাকের ভোগ খাওয়া।
বসিরহাটের সীমান্ত শহর টাকির অতি প্রাচীন এই পুবের বাড়ির পুজো। প্রায় ৩০১ বছর আগে টাকির তৎকালীন জমিদার জগবন্ধু রায়চৌধুরী এই পুজোর সূচনা করেন। ইছামতী দিয়ে অনেক জল বয়ে গেলেও বদল আসেনি রীতিনীতিতে। রায়চৌধুরীদের এই পুবের বাড়িতে অষ্টমীর দিন পোলাও ও আলুরদমের ভোগ খেতে রাজ্য ও দেশ ছাড়িয়ে ভিনদেশের পর্যটকরাও ভিড় জমান। প্রায় ১২ থেকে ১৫ হাজার মানুষের ভোগের ব্যবস্থা করা হয় ওইদিন।
একসময় চালু ছিল বলি প্রথা। হত ছাগ-মহিষ ও ভেড়াবলি। পশুদের আনা হত বাংলার সাতক্ষীরা, খুলনা ও দেবহাটা থেকে। এখন কেবল চালকুমড়ো ও আখ বলি দেওয়া হয়। তবেই ৩০০ বছর পুরনো সেই হাড়িকাঠেই। বিসর্জনের দিন বংশ-পরম্পরায় ২৬ বেহারার কাঁধে করে মা যান ইছামতির রাজবাড়ি ঘাটে। যা রায়চৌধুরী পরিবারের নিজস্ব ঘাট। সেখান থেকেই বিসর্জনের পর্ব শুরু হয় পুবের বাড়ির উমার। যতক্ষণ না পুবের বাড়ির দেবীর বিসর্জন হবে ততক্ষণ টাকি-হাসনাবাদের কোনও পুজোর বিসর্জন হয় না। এমনটাই রীতি।
বিসর্জনের পালা মিটলে শুরু হয় পান্তাভাত আর কচুশাকের ভোগের পালা। ভোগ পেতে ছুটে আসেন দূর দূরান্তের মানুষ। বছরভর কলকাতা-সহ রাজ্য তথা দেশের বিভিন্ন প্রান্তে থাকলেও শারদীয়া উৎসবের সময় রায়চৌধুরী বাড়ির সদস্যরা সকলেই এই পুজোয় অংশগ্রহণ করেন। ভোগ রান্না করে আগত পুণ্যার্থীদের বিতরণ করেন তাঁরা। এই পুবের বাড়ি থেকে দেবী যেন গিয়েও যান না। কারণ এই বাড়িতে অধিষ্ঠান রয়েছে দেবী দুর্গার। প্রায় ৩০০ বছরের নিয়ম রীতি মেনে নিত্য পুজো হয় দেবী দুর্গার।
কথিত, বাপের বাড়ি থেকে দেবী যখন কৈলাসে মহাদেবের কাছে ফিরেছিলেন, তখন মহাদেব তাঁকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন বাপের বাড়ি থেকে কী খেয়ে এসেছো? উমা তখন জবাবে বলেছিলেন, ‘পান্তা আর কচু শাক’। সেই রীতি মেনেই টাকির পুবের বাড়িতে ৩০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে চলে আসছে বিসর্জনের পর পান্তাভাত ও কচুশাকের ভোগ খাওয়া।
বসিরহাটের সীমান্ত শহর টাকির অতি প্রাচীন এই পুবের বাড়ির পুজো। প্রায় ৩০১ বছর আগে টাকির তৎকালীন জমিদার জগবন্ধু রায়চৌধুরী এই পুজোর সূচনা করেন। ইছামতী দিয়ে অনেক জল বয়ে গেলেও বদল আসেনি রীতিনীতিতে। রায়চৌধুরীদের এই পুবের বাড়িতে অষ্টমীর দিন পোলাও ও আলুরদমের ভোগ খেতে রাজ্য ও দেশ ছাড়িয়ে ভিনদেশের পর্যটকরাও ভিড় জমান। প্রায় ১২ থেকে ১৫ হাজার মানুষের ভোগের ব্যবস্থা করা হয় ওইদিন।
একসময় চালু ছিল বলি প্রথা। হত ছাগ-মহিষ ও ভেড়াবলি। পশুদের আনা হত বাংলার সাতক্ষীরা, খুলনা ও দেবহাটা থেকে। এখন কেবল চালকুমড়ো ও আখ বলি দেওয়া হয়। তবেই ৩০০ বছর পুরনো সেই হাড়িকাঠেই। বিসর্জনের দিন বংশ-পরম্পরায় ২৬ বেহারার কাঁধে করে মা যান ইছামতির রাজবাড়ি ঘাটে। যা রায়চৌধুরী পরিবারের নিজস্ব ঘাট। সেখান থেকেই বিসর্জনের পর্ব শুরু হয় পুবের বাড়ির উমার। যতক্ষণ না পুবের বাড়ির দেবীর বিসর্জন হবে ততক্ষণ টাকি-হাসনাবাদের কোনও পুজোর বিসর্জন হয় না। এমনটাই রীতি।
বিসর্জনের পালা মিটলে শুরু হয় পান্তাভাত আর কচুশাকের ভোগের পালা। ভোগ পেতে ছুটে আসেন দূর দূরান্তের মানুষ। বছরভর কলকাতা-সহ রাজ্য তথা দেশের বিভিন্ন প্রান্তে থাকলেও শারদীয়া উৎসবের সময় রায়চৌধুরী বাড়ির সদস্যরা সকলেই এই পুজোয় অংশগ্রহণ করেন। ভোগ রান্না করে আগত পুণ্যার্থীদের বিতরণ করেন তাঁরা। এই পুবের বাড়ি থেকে দেবী যেন গিয়েও যান না। কারণ এই বাড়িতে অধিষ্ঠান রয়েছে দেবী দুর্গার। প্রায় ৩০০ বছরের নিয়ম রীতি মেনে নিত্য পুজো হয় দেবী দুর্গার।