
শেষ আপডেট: 1 February 2021 09:21
অর্থমন্ত্রীর কথায়, "চারটি ক্ষেত্রে সরকারের সামান্য অংশীদারিত্ব থাকবে। বাকি ক্ষেত্রগুলি পুরোপুরি বেসরকারিকরণ করা হবে।" নির্মলা জানান, স্ট্র্যাটেজিক ও নন স্ট্র্যাটেজিক সেক্টরে বেসরকারিকরণের জন্য নির্দিষ্ট রোড ম্যাপ তৈরি করা হয়েছে। এর পরে কোন রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলিতে বিলগ্নিকরণ করা যায়, তা স্থির করবে নীতি আয়োগ।
২০২১-২২ সালে যে সংস্থাগুলি বিলগ্নিকরণ করা হবে, তার মধ্যে আছে ভারত পেট্রলিয়াম কর্পোরেশন লিমিটেড, এয়ার ইন্ডিয়া, শিপিং কর্পোরেশন অব ইন্ডিয়া, কনটেনার কর্পোরেশন অব ইন্ডিয়া, আইডিবিআই ব্যাঙ্ক, ভারত আর্থ মুভারস লিমিটেড এবং পবন হংস।
নির্মলা জানিয়েছেন, দু'টি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক এবং একটি জেনারেল ইনসিওরেন্স কোম্পানিতেও বিলগ্নিকরণ করা হবে। সেজন্য সংশ্লিষ্ট আইনের কিছু পরিবর্তন করা হবে। আইন সংশোধনী বিল পেশ হবে সংসদের চলতি অধিবেশনেই। লাইফ ইনসিওরেন্স কর্পোরেশনের ইনিশিয়াল পাবলিক অফারিং শেষ হবে ২০২১-২২ সালের মধ্যে।
অতিমহামারীর মোকাবিলায় যে বিপুল পরিমাণ আর্থিক প্যাকেজ দিতে হবে, তার জন্যই সরকার নন স্ট্র্যাটেজিক সেক্টর থেকে সরে দাঁড়াতে চায় সরকার। স্ট্র্যাটেজিক সেক্টরগুলির মধ্যে মাত্র চারটিতে সরকারের সামান্য বিনিয়োগ থাকবে।
গতবছর একটি ক্যাবিনেট নোটে সরকার প্রস্তাব দেয়, ১৮ টি সেক্টরকে স্ট্র্যাটেজিক হিসাবে ধরা হোক। তার মধ্যে ছিল বিদ্যুৎ, ব্যাঙ্কিং, বিমা, ইস্পাত, কয়লা, সার, পেট্রলিয়াম এবং প্রতিরক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি। গত সপ্তাহে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল স্ট্র্যাটেজিক সেক্টরের সংখ্যা ১৮ থেকে নামিয়ে চার করা হোক। কেন্দ্রীয় সরকার সেই প্রস্তাব অনুমোদন করেছে।
নির্মলা জানিয়েছেন, সরকার আশা করে, ২০২১-২২ সালের আর্থিক বছরে বিলগ্নিকরণ থেকে পাওয়া যাবে ১.৭৫ লক্ষ কোটি টাকা।
এর আগে ১৯৯৯ থেকে ২০০৪ সালের মধ্যে ভিএসএনএল, বালকো, হিন্দুস্তান জিঙ্ক, মারুতি সুজুকি এবং সিএমসি লিমিটেডের বেসরকারিকরণ করা হয়েছিল। হিন্দুস্তা জিঙ্ক ও বালকোয় সরকার সামান্য শেয়ার রেখে দিয়েছিল। কিন্তু মারুতি সুজুকিতে কোনও শেয়ার রাখেনি।