
শেষ আপডেট: 13 November 2022 11:23
দ্য ওয়াল ব্যুরো, হুগলি: শনিবার বিকেলে স্থানীয় বিজেপি (BJP) বুথ সভাপতির গর্ভবতী মেয়ের পেটে লাথি মারার ঘটনায় উত্তেজনা ছড়ায় হুগলির বাঁশবেড়িয়ায়। গতকালই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে এক তৃণমূল (TMC) কর্মী ও তার স্ত্রী এবং দুই ছেলেকে গ্রেফতার করেছে মগরা থানার পুলিশ। রবিবার চুঁচুড়া হাসপাতালে (Chinsura Hospital) ভর্তি থাকা সেই মহিলাকে দেখতে গিয়ে পাল্টা বিক্ষোভের (protest) মুখে পড়লেন বাঁশবেড়িয়া ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর (councilor) মিনতি ধর।
রবিবার সকালে চুঁচুড়া হাসপাতালে মিনতি দেবী তাঁর অনুগামীদের সঙ্গে যাওয়ার পরেই তাঁকে ঘেরাও করেন সেখানে থাকা বিজেপির মহিলা কর্মীরা। সকলে মিলে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। সেই সময় ওই আক্রান্ত মহিলাকে দেখতে গিয়েছিলেন হুগলি জেলা বিজেপির সভাপতি তুষার মজুমদারও। তিনি যদিও এই বিক্ষোভ নিয়ে কিছু বলতে চাননি।
হাসপাতালের সামনে দাঁড়িয়ে কাউন্সিলর মিনতি ধর বলেন, 'এটা একেবারেই পাড়ার ঘটনা। এর মধ্যে রাজনীতির কোনও যোগ নেই। গতকাল যখন ঘটনাটি ঘটে তখন আমি একটি মিটিংয়ে ছিলাম। পরে আক্রান্তদের বাড়ি যাই। আজ সকালে হাসপাতালে অন্তঃসত্ত্বা মহিলাকে দেখতে এলাম। এভাবে বিক্ষোভ দেখানোর কোনও কারণ নেই। দল তো অভিযুক্তকে বাঁচানোর চেষ্টা করেনি। বরং ঘটনার দিন রাতেই পুলিশ অভিযুক্তদের গ্রেফতার করেছে।'
উল্লেখ্য, শনিবার বিকেলে সামান্য কল নিয়ে ঝগড়ার জেরে এক অন্তঃসত্ত্বা মহিলার পেটে লাথি মারার অভিযোগ ওঠে এক তৃণমূল কর্মীর বিরুদ্ধে। ওই অন্তঃসত্ত্বা মহিলা আবার এলাকারই বিজেপির বুথ সভাপতির মেয়ে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ঘটনাটি রাজনৈতিক মোড় নেয়। ঘটনার পরেই পুলিশ অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়। গ্রেফতার করা হয় মূল অভিযুক্ত রাখাল দাস ও তার স্ত্রী এবং দুই ছেলেকে।
বাঁশবেড়িয়ায় বিজেপি নেতার অন্তঃসত্ত্বা মেয়ের পেটে লাথি! কাঠগড়ায় তৃণমূল কর্মীর পরিবার