দ্য ওয়াল ব্যুরো, জলপাইগুড়ি: রাজ্য ভাগের দাবি নিয়ে বিজেপির মধ্যে যে দ্বিমত রয়েছে তা স্পষ্ট হয়ে গেছে। এবার সেটাকে উল্লেখ করেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কঠোর অবস্থানের দাবি করলেন সিপিএম রাজ্য সম্পাদক সূর্যকান্ত মিশ্র।
আপাতত উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে সিপিএমের সাংগঠনিক বৈঠক করছেন সিপিএম রাজ্য সম্পাদক। রবিবার জলপাইগুড়িতে দলীয় কর্মসূচির পর একটি সাংবাদিক বৈঠক করেন তিনি। সেখানেই তিনি বলেন, বাংলা ভাগ নিয়ে বিজেপির মধ্যে দ্বন্দ্ব রয়েছে। ইনি এক বলছেন উনি আর এক বলছেন।" তাঁর কথায়, এক গোষ্ঠীকে মদত দিয়ে আর এক গোষ্ঠীকে থামানো যাবে না। এ ব্যাপারে মুখ্যমন্ত্রীরা কঠোর অবস্থানের প্রয়োজন।
যদিও ইতিমধ্যেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একাধিক বার বলেছেন, বাংলা ভাগের চক্রান্ত তিনি বরদাস্ত করবেন না। এমনকি উত্তরবঙ্গের জেলাগুলির প্রশাসনকে কড়া নির্দেশ দিয়ে মমতা এও বলেছেন, নজর রাখুন। বিচ্ছিন্নতাবাদীরা মাথা তুললেই কঠোর ব্যবস্থা নিন।
যদিও সূর্যবাবুর বক্তব্য, এর আগে পাহাড়ের অশান্তি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিয়ন্ত্রণ করতে পারেননি। তিনি বলেছিলেন পাহাড় হাসছে। আমরা দেখেছিলাম পাহাড় কেমন জ্বলছে।
আলিপুরদুয়ারের সাংসদ জন বার্লা সাম্প্রতিক সময়ে বঞ্চনার কথা বলে উত্তরবঙ্গকে পৃথক রাজ্য করার দাবি তুলেছিলেন। যদিও বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ সাফ জানিয়ে দেন,এটা দলের অবস্থান নয়। জন বার্লা এখন কেন্দ্রের মন্ত্রী। মোদী মন্ত্রিসভায় শপথ নেওয়ার পরেও তিনি রাজ্য ভাগের দাবিতে অনড়। পাল্টা দিলীপ বলেছেন, রাজ্য ভাগের দাবি তুললে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে নালিশ করা হবে। এই প্রশ্নেই বিজেপির মধ্যে বিভাজনের কথা উল্লেখ করেছেন সিপিএম রাজ্য সম্পাদক।
সম্প্রসারণের পর দেখা যাচ্ছে মোদী মন্ত্রিসভার বহু মন্ত্রীর বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা রয়েছে। ক্রিমিনাল কেসে কার্যত ভরে গেছে ক্যাবিনেট। তা নিয়ে প্রশ্ন করা হলেও ফের একবার দিল্লি আর রাজ্যকে জুড়ে দেখাতে চাইলেন সূর্যবাবু। তাঁর কথায়, ওখানে যেমন ক্রিমিনাল রেকর্ডের ব্যাপার রয়েছে এখানেও তাই। তাঁর মোদ্দা বক্তব্য, দুই সরকারের ক্ষেত্রেই আলো করে বসে আছেন অভিযুক্তরা। খোঁচা দেন মুকুল রায়ের পিএসি চেয়ারম্যান হওয়া নিয়েও।