শ্রীলেখার বাহিনীর ‘হামলা’ নিয়ে তপ্ত ফেসবুক, সিপিএমের শশাঙ্ক গেলেন থানায়
দ্য ওয়াল ব্যুরো: কুকুর দত্তক নিয়ে তাকে মেরে ফেলেছে বলে গতকালই উত্তর ২৪ পরগনার তরুণ সিপিএম নেতা শশাঙ্ক ভাবসারের বিরুদ্ধে ফেসবুকে ফুঁসে উঠেছিলেন অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র। অভিযোগ করেছিলেন, তাঁর সঙ্গে ডেটে যাওয়ার লোভেই শশাঙ্ক কুকুরটাকে দত্তক নি
শেষ আপডেট: 25 August 2021 08:21
দ্য ওয়াল ব্যুরো: কুকুর দত্তক নিয়ে তাকে মেরে ফেলেছে বলে গতকালই উত্তর ২৪ পরগনার তরুণ সিপিএম নেতা শশাঙ্ক ভাবসারের বিরুদ্ধে ফেসবুকে ফুঁসে উঠেছিলেন অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র। অভিযোগ করেছিলেন, তাঁর সঙ্গে ডেটে যাওয়ার লোভেই শশাঙ্ক কুকুরটাকে দত্তক নিয়েছিলেন। তারপর সেটাকে মেরে ফেলেছেন এই রেড ভলান্টিয়ার।
মঙ্গলবার তা নিয়ে বিস্তর জলঘোলা হওয়ার পর বুধবার অন্যদিকে মোড় নিল। অভিযোগ, শ্রীলেখা লোক পাঠিয়ে শশাঙ্কর উপর হামলার ঘটনা ঘটিয়েছেন। তাঁকে মারধর করা হয়েছে। বেলা দেড়টার খবর, শশাঙ্ক বেলঘরিয়া থানায় গিয়েছেন। থানায় রয়েছেন, শ্রীলেখা যাঁকে ট্যাগ করেছিলেন সেই দময়ন্তী সেন এবং আরএক মহিলাও।
সিপিএমের একটি অংশের দাবি, শ্রীলেখার লোকজন ফেসবুকে হুমকি দেওয়ার পর এদিন শশাঙ্কের বাড়িতে পৌঁছে গিয়েছিলেন। বাড়ি থেকে বের করে তরুণ নেতাকে হেনস্থা করা হয়। যা নিয়ে একাধিক সিপিএম কর্মী সোশ্যাল মিডিয়ায় শ্রীলেখার বিরুদ্ধে গর্জে উঠেছেন। পরামর্শ দিয়েছেন, শশাঙ্ক যেন আইনি পদক্ষেপ নেন।
দলের নেতাদেরও চোখে আঙুল দিয়ে শ্রীলেখার আসল রূপ দেখিয়ে দিতে চেয়েছেন অনেক সিপিএম কর্মী। নৈহাটির ডিওয়াইএফআই নেতা অভীক সেনগুপ্ত ফেসবুকে লিখেছেন, “সিপিএম নেতৃত্বের প্রতি অনুরোধ যাকে তাকে স্টেজে তুলে দিয়ে কমরেড বানানোর অপচেষ্টা বন্ধ করুন। রিজেক্টেড/স্ক্র্যাপ মেটেরিয়াল চিনতে শিখুন।”
একুশের ভোটের কয়েক মাস আগে থেকেই সিপিএমের মঞ্চে আবির্ভাব হয় শ্রীলেখার। বেশ কিছু কেন্দ্রে প্রচারেও গিয়েছিলেন তিনি। সিপিএমের অনেকে যেমন শ্রীলেখাকে নিয়ে আহ্লাদিত ছিলেন তেমন বিরক্তও ছিলেন অনেকে। তাঁদের বক্তব্য, যাঁদের সঙ্গে পার্টির কোনও কালে সম্পর্ক ছিল না হঠাত করে তাঁরাই সাংস্কৃতিক আন্দোলনের পরাকাষ্ঠা সাজতে চাইছে।

কুকুর মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে ইতিমধ্যেই শশাঙ্ক সংবাদমাধ্যমে বলেছেন, তাঁর বাড়ি রাস্তার ধারে। কুকুরটি বেরিয়ে যাওয়ায় দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে তার। এদিকে শ্রীলেখা এখন কাজের সুবাদে সুইৎজারল্যান্ডে। সব মিলিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ার তোপ দাগাদাগি গড়াল থানা-পুলিশ পর্যন্ত।