দ্য ওয়াল ব্যুরো: হোয়াটসঅ্যাপে তাদের আলাপ। আর সেই আলাপের সূত্রেই দিল্লি থেকে সটান কাঁচরাপাড়ায় বিয়ে করতে চলে এল এক যুবক! সেখানে এক তরুণীর বাড়ির লোকজনকে জোরাজুরি করতে থাকে, বলে বিয়ে না করে সে যাবেই না। শেষমেশ যেতে হল জেলে।
বছর দুয়েক আগে একটি অনুষ্ঠানবাড়িতে বীজপুর থানা এলাকার কাঁচরাপাড়ার মুন্নি রাওয়ের সঙ্গে এক বন্ধুর মাধ্যমে আলাপ হয়েছিল দিল্লির বাসিন্দা বিক্রম যাদবের। তখন থেকেই হোয়াটসঅ্যাপে শুরু হয় মেসেজ চালাচালি। সেই সূত্রেই বৃহস্পতিবার সকালে উত্তর ২৪ পরগনার কাঁচরাপাড়ায় নৃপেন সরকার রোডে সে হাজির হয়ে যায়। যুবকের নাকি আবদার ছিল, বাড়িতে তার বউ নেই বলে সে এখান থেকে বউ নিয়েই ফিরবে।
মুন্নির বাবা দিগম্বর প্রসাদ রাও যুবকের সঙ্গে কথা বলে জানতে পারেন, কোনও আত্মীয়ের মাধ্যমে ওই যুবক তাঁর মেয়ের ফোন নম্বর পেয়েছিল। তার পরে ওই আত্মীয়কে ফোন করে তিনি জানতে পারেন যে ছেলেটি আদতে প্রতারক। বিয়ে করে সোনাদানা ও টাকা নিয়ে সে পালিয়ে যায়। এটাই নাকি তার আয়ের উৎস। আগেও বেশ কয়েকবার সে এই কাণ্ড ঘটিয়েছে। একথা জেনে বীজপুর থানায় খবর দেন তিনি।
দিগম্বর প্রসাদ রাওয়ের অভিযোগ, “ছেলেটি দিল্লির চিটিংবাজ। অন্য একজনের থেকে ফোন নম্বর ও ছবি জোগাড় করে আচমকাই এসে হাজির হয়েছে। তার আগে ফোন করা শুরু করে। বাড়িতে এসে বলছে আমার মেয়েকে বিয়ে করবে! আমি থানায় ডায়েরি করেছি।”
পুলিশ তাঁর বাড়িতে এসে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে। তার ১৪ দিনের জেল হেফাজত হয়েছে। অভিযোগ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে একটি কথাও বলেনি ওই অভিযুক্ত।