পুলিশ ছাড়া মুভমেন্ট করতে পারবে না বিএসএফ, মুখ্যমন্ত্রীর বৈঠকে বললেন ডিজি
দ্য ওয়াল ব্যুরো: কার্শিয়াঙে দলীয় নেতা ও জেলাশাসকদের সঙ্গে প্রশাসনিক বৈঠক করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Bannerjee)। রবিবার উত্তরবঙ্গ সফরে গেছেন তিনি। পাহাড়ের নেতাদের সঙ্গে সদ্ভাবের পরামর্শ দিয়েছেন বৈঠক থেকে। পাশাপাশি এদিন ত
শেষ আপডেট: 26 October 2021 10:50
দ্য ওয়াল ব্যুরো: কার্শিয়াঙে দলীয় নেতা ও জেলাশাসকদের সঙ্গে প্রশাসনিক বৈঠক করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Bannerjee)। রবিবার উত্তরবঙ্গ সফরে গেছেন তিনি। পাহাড়ের নেতাদের সঙ্গে সদ্ভাবের পরামর্শ দিয়েছেন বৈঠক থেকে। পাশাপাশি এদিন তিনি উল্লেখ করেন সীমান্ত প্রহরায় বিএসএফের নজরদারির এলাকা বৃদ্ধির প্রসঙ্গটিও।
তিনি এদিন বলেন, "বিএসএফের বিষয়ে আমি অলরেডি চিঠি লিখেছি। এরা বর্ডারের নাম করে অত্যাচার করবে। আমি ফোর্সকে সম্মান করি, কিন্তু এটা যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর বিপক্ষে।"
মুখ্যমন্ত্রীর কথা শুনে ডিজি জানিয়েছেন, তিনি ইতিমধ্যেই মিটিং করেছেন সংশ্লিষ্ট মহলে। ডিজি আরও দাবি করেছেন, পুলিশের সাহায্য ছাড়া এখনই কোনও প্রশাসনিক পদক্ষেপ করতে পারবে না বিএসএফ।
সমীর ওয়াংখেড়ে বেআইনি ভাবে বহু ফোন ট্যাপ করেন, এবার দাবি মহারাষ্ট্রের মন্ত্রীর
বিএসএফের নজরদারির আওতায় আরও বেশি এলাকাকে নিয়ে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র। এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে চিঠিও লিখেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি চিঠিতে দাবি করেছেন, কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর উপরে আঘাত হানছে তাই কেন্দ্রের বিজ্ঞপ্তি প্রত্যাহার করতে হবে।
দু'সপ্তাহ হয়েছে, বিএসএফের পরিধি বৃদ্ধি নিয়ে কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্ত প্রকাশের। এর বিরুদ্ধে সবার আগে প্রতিবাদ জানিয়েছিল পঞ্জাব। এবার মমতাও উত্তরবঙ্গ সফর থেকে এই নিয়ে অভিযোগ তোলেন রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের। দুই রাজ্যের কড়া প্রতিবাদে এবার কেন্দ্রের উপরে চাপ বাড়বে বলেই মনে করছেন অনেকে।
ভারতীয় সীমানার ভিতরে ১৫ কিলোমিটার পর্যন্ত এলাকা এত দিন এই কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর নজরদারির আওতায় ছিল, সেটিই বাড়িয়ে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র। এর ফলে মুর্শিদাবাদে এবং উত্তরবঙ্গের বেশ খানিকটা এলাকায় উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
বাংলাদেশের সঙ্গে সীমান্ত জুড়ে রয়েছে উত্তরবঙ্গের ছ'টি জেলা। মুর্শিদাবাদ, মালদহ, দক্ষিণ দিনাজপুর, উত্তর দিনাজপুর, কোচবিহার ও শিলিগুড়ি। কেন্দ্রের সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে মোট ৫২টি থানার আওতাধীন এলাকা বিএসএফের নিয়ন্ত্রণে ঢুকে পড়বে।
পড়ুন দ্য ওয়ালের সাহিত্য পত্রিকা 'সুখপাঠ'