
শেষ আপডেট: 21 August 2023 11:25
দ্য ওয়াল ব্যুরো: রাজ্যের (WB government) তীব্র অর্থ সংকট। কিন্তু তার মধ্যেও মসজিদের ইমাম ও মোয়াজ্জেমদের মাসিক ভাতা ৫০০ টাকা করে বাড়ানোর (Imam allowance increased) কথা ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সঙ্গে জানিয়ে দিলেন, মন্দিরের পুরোহিতদের ভাতাও মাসে ৫০০ টাকা করে বাড়বে।
সোমবার নেতাজি ইনডোরে ইমাম-মোয়াজ্জেমদের সভায় গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। এই সভাকে কেন্দ্র মূল কৌতূহলই ছিল যে মমতা ভাতার পরিমাণ বাড়ান কিনা। এ ব্যাপারে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী আগাম টিপ্পনি করতে শুরু করেছিলেন। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী এদিন সকালেও বলেছিলেন, দু-চার টাকা বাড়িয়ে ইমাম-মোয়াজ্জেমদের কেনার চেষ্টা হবে। আবার নবান্নের একাংশ আমলার আশঙ্কা ছিল রাজ্যের অর্থ সংকটের মধ্যে মুখ্যমন্ত্রী যেন ভাতা না বাড়িয়ে দেন।
বাংলায় প্রায় ৩০ হাজার ইমাম ও ২০ হাজার মোয়াজ্জেম সরকারের থেকে এই আর্থিক সুবিধা পান। এটা ঠিক যে দীর্ঘ দিন ধরে তাঁদের ভাতা বাড়েনি। ইমামরা মাসে ২৫০০ টাকা করে ভাতা পান। আর মোয়াজ্জেমরা ভাতা পান মাসে ১০০০ টাকা করে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই ঘোষণার পর ইমামরা মাসে ৩০০০ টাকা করে ভাতা পাবেন। মোয়াজ্জেমরা পাবেন মাসে ১৫০০ টাকা।
মমতার এদিনের ঘোষণা আরও একটি বিষয়ে কৌতূহল জিইয়ে রাখল। তা হল পুজো কমিটিগুলির জন্য অনুদান বা চাঁদা। গত বছর রাজ্যের ৪২ হাজার ২৮টি পুজো কমিটিকে ৬০ হাজার টাকা করে অনুদান দেওয়া হয়েছিল। রাজ্যের অর্থসংকট থাকলে চাঁদার পরিমাণ ৫০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৬০ হাজার টাকা করা হয়েছিল। অর্থাৎ পুজোর অনুদান বাবদ ২৪০ কোটি টাকা খরচ হয়েছিল সরকারের। এবার ফের চাঁদা বা অনুদানের অঙ্ক বাড়ানো হবে কিনা সে ব্যাপারে কৌতূহল তৈরি হয়েছে। নবান্নের কর্তাদের মতে, চাঁদা বাড়ানোর মতো পরিস্থিতি যে রাজ্যের কোষাগারের নেই সে ব্যাপারে কোনও সংশয় নেই। তবে শেষমেশ কী সিদ্ধান্ত হবে তা মুখ্যমন্ত্রীর উপরই নির্ভর করছে।
আরও পড়ুন: ইমাম-মোয়াজ্জেমদের ভাতা বাড়ানোর ইচ্ছা থাকলেও উপায় নেই নবান্নর, পুজো কমিটির চাঁদাও কি তাই