
শেষ আপডেট: 8 July 2018 05:52
গণধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত অন্যদের খোঁজেও তল্লাশি চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। শুক্রবার সন্ধ্যায় দুষ্কৃতীরা ওই নাবালিকার উপর পাশবিক অত্যাচার চালায় বলে অভিযোগ। সংখ্যায় তারা প্রায় ১২ জন ছিল বলে জানা গিয়েছে। বোলপুর মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে নাবালিকার।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বছর ১৫র ওই কিশোরী ওই দিন সন্ধে সাতটা নাগাদ মহুলারা গ্রামের বাজার থেকে সাইকেল করে বাড়ি ফিরছিল। অভিযোগ, এ সময় রাস্তা থেকে তাকে টেনে নিয়ে গিয়ে মাঠের মধ্যে গণধর্ষণ করা হয়। বাড়ি না ফেরায় কিশোরীর পরিবার খোঁজাখুঁজি শুরু করে। পরে মাঠ থেকে বিবস্ত্র, অচৈতন্য কিশোরীকে উদ্ধার করে পুলিশ। বোলপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তাকে।
শুক্রবার সন্ধ্যায় ওই ঘটনা ঘটলেও শনিবার সারা দিন তার বাড়ির লোক লিখিত অভিযোগ দায়ের না করায় গোটা বিষয়টি নিয়ে ধন্দ তৈরি হয়।এমনকি হাসপাতাল সূত্রেও গণধর্ষণের কথা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হচ্ছিল না। কিন্তু কেন ওই নাবালিকাকে ভর্তি রাখা হয়েছে তার উত্তরও এড়িয়ে যাচ্ছিল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। মুখ খোলেনি পুলিশও। তবে এলাকায় উত্তেজনা থাকায় বসানো হয় পুলিশ পিকেট।
অভিযোগ দায়ের না হওয়ার পিছনে, ওই পরিবারের উপর বাইরের কোনও চাপ রয়েছে বলেও মনে করছিলেন গ্রামবাসীরা। সব মিলিয়ে আতঙ্কের আবহ তৈরি হয় গোটা গ্রামে। অবশেষে শনিবার রাতে নির্য়াতিতার দাদা গণধর্ষণের অভিয়োগ দায়ের করেন। তারপরেই গ্রেফতার করা হয় পাঁচ অভিয়ুক্তকে। এরা প্রত্যেকেই সাবালক বলে জানিয়েছে পুলিশ।