‘দ্বিবেদী আমাকে মারবে’ বলেও প্রাক্তন খেলোয়াড়দের জন্য পেনশন ঘোষণা মমতার
দ্য ওয়াল ব্যুরো: প্রাক্তন খেলোয়াড়দের জন্য পেনশন প্রকল্পের ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার নেতাজি ইনডোরে তিনি বলেন, এবার থেকে রাজ্যের প্রাক্তন খেলোয়াড়, যাঁদের ৬০ বছর বয়স হয়ে গিয়েছে, তাঁদের মাসিক এক হাজার টাকা করে পেনশন দ
শেষ আপডেট: 8 February 2021 14:30
দ্য ওয়াল ব্যুরো: প্রাক্তন খেলোয়াড়দের জন্য পেনশন প্রকল্পের ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার নেতাজি ইনডোরে তিনি বলেন, এবার থেকে রাজ্যের প্রাক্তন খেলোয়াড়, যাঁদের ৬০ বছর বয়স হয়ে গিয়েছে, তাঁদের মাসিক এক হাজার টাকা করে পেনশন দেবেন।
এই প্রকল্প ঘোষণার আগে এদিন স্বরাষ্ট্র সচিবের উদ্দেশে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “এবার দ্বিবেদী আমাকে মারবে!” এইচকে দ্বিবেদী আগে অর্থ সচিব ছিলেন। বর্তমান অর্থ সচিব মনোজ পন্থের সঙ্গে তিনিও সেই কাজে এখনও সহায়তা করেন। সম্ভবত সে কারণেই মুখ্যমন্ত্রী তাঁর কাছে জানতে চান কোষাগারে চাপ হবে কিনা! তার পর ক্রীড়া ও যুব কল্যাণমন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের থেকে মমতা জানতে চান, ৬০ বা তার বেশি বয়সি রাজ্যে প্রাক্তন খেলোয়াড়ের সংখ্যা কত। অরূপ ভেবে বলেন, কম বেশি ২ হাজার।
মুখ্যমন্ত্রী এদিন বলেন, “এক হাজার টাকা খুব কম। তবু ওঁদের সম্মান জানাতে এই সামান্য টাকার পেনশন দেওয়া হচ্ছে।”
পেনশন পেতে হলে প্রাক্তন খেলোয়াড়দের কী ধরনের নিয়ম বা শর্ত থাকতে হবে সেই বিষয়ে কিছু বলেননি মুখ্যমন্ত্রী। এ ঘোষণা ভোটের আগেই বাস্তবায়িত হবে কিনা তাও স্পষ্ট নয়। কারণ এদিনের মঞ্চে মুখ্যমন্ত্রী এমন সব প্রকল্পের ঘোষণা করেন যার কুটোটি এই মেয়াদে নাড়ানো সম্ভব নয় বলেই অনেকের মত।
প্রসঙ্গত, প্রাক্তন খেলোয়াড়দের অনেকেই কেন্দ্রীয় বা রাজ্য সরকারের প্রাক্তন কর্মচারী। অথবা ব্যাঙ্কের কর্মী অফিসার। তাঁরা এমনিই পেনশন পান।
ক্রীড়া ক্ষেত্রে তাঁর সরকার কী কী কাজ করেছে এদিন তাও বিশদে বলেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর কথায় ৮৬১টি কোচিং ক্যাম্পকে এক লক্ষ টাকা করে দেওয়া হয়েছে। বাংলায় ৩৪টি স্টেডিয়াম গড়া হয়েছে। ৪০০ খেলার মাঠের উন্নয়ন করা হয়েছে। রাজ্য ক্রীড়ার ৩৪ টি সংস্থাকে পাঁচ লক্ষ টাকা করে দেওয়া হল। হকির অ্যাস্ট্রোটার্ফ ও উন্নয়নের জন্য কুড়ি কোটি টাকা দেওয়া হচ্ছে। তা ছাড়া ২৬ টি ক্লাবকে ১ লক্ষ টাকা করে দেওয়া হয়েছে। এই প্রসঙ্গে দুর্গাপুজোয় ৫০ হাজার টাকা করে চাঁদা দেওয়ার বিষয়টিও তোলেন মমতা।
এমনিতে কলকাতা ময়দান ও রাজ্য ক্রীড়ার বিভিন্ন সংস্থায় বারবার কালীঘাটের হস্তক্ষেপ ও দখলদারির অভিযোগ উঠেছে। এদিনের এই ঘোষণার পর বাম পরিষদীয় দলনেতা সুজন চক্রবর্তী বলেন, ভোটের আগে এসব আসলে ভোট কেনার চেষ্টা। এর অতিরিক্ত কিছু নয়।