Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
নববর্ষে স্মৃতির পাতায় ফিরলেন সাবিত্রী, বললেন—“আগে এত উদযাপন ছিল না”'আইপিএলের বাতিল ক্রিকেটাররাই পিএসএলে আসে!’ বোমা ফাটালেন খোদ পাকিস্তানের প্রাক্তন তারকাহরমুজ বাধা টপকে গুজরাতে ভারতীয় জাহাজ! ট্রাম্পের অবরোধের মাঝেই স্বস্তি ফেরাল ‘জাগ বিক্রম’হলফনামায় তথ্য গোপনের অভিযোগ! মেদিনীপুরের তৃণমূল প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিলের দাবি বিজেপির‘১৫ বছরের অচলাবস্থা কাটানোর সুবর্ণ সুযোগ!’ নববর্ষের শুভেচ্ছাবার্তায় তৃণমূল সরকারকে তোপ মোদীরঅভিষেক পত্নীকে টার্গেট করছে কমিশন! হোয়াটসঅ্যাপে চলছে নেতাদের হেনস্থার ছক? সরাসরি কমিশনকে চিঠি তৃণমূলেরIPL 2026: আজ আদৌ খেলবেন তো? ‘চোটগ্রস্ত’ বিরাটের অনুশীলনের ভিডিও দেখে ছড়াল উদ্বেগনৌকাডুবিতে ১৫ জনের মৃত্যু, বৃদ্ধার প্রাণ বাঁচাল ইনস্টা রিল, ফোনের নেশাই এনে দিল নতুন জীবন!‘ভূত বাংলা’-তে যিশু সেনগুপ্তর আয় নিয়ে হইচই! ফাঁস হল অঙ্কপদ খোয়ানোর পর এবার নিরাপত্তা! রাঘব চাড্ডার Z+ সুরক্ষা তুলে নিল পাঞ্জাব সরকার, তুঙ্গে জল্পনা

মমতার ‘চা সুন্দরী’, গৃহহীন চা-শ্রমিকদের জন্য নতুন প্রকল্প ঘোষণা রাজ্য বাজেটে

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বাংলার চা-শ্রমিকদের জন্য নতুন প্রকল্পের ঘোষণা করল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। রাজ্যজুড়ে প্রায় তিন লক্ষাধিক চা-শ্রমিককে স্থায়ী বাসস্থান দিতে সোমবার রাজ্য বাজেটে ‘চা-সুন্দরী’ প্রকল্পের ঘোষণা করলেন অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র। দ

মমতার ‘চা সুন্দরী’, গৃহহীন চা-শ্রমিকদের জন্য নতুন প্রকল্প ঘোষণা রাজ্য বাজেটে

শেষ আপডেট: 9 February 2020 18:30

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বাংলার চা-শ্রমিকদের জন্য নতুন প্রকল্পের ঘোষণা করল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। রাজ্যজুড়ে প্রায় তিন লক্ষাধিক চা-শ্রমিককে স্থায়ী বাসস্থান দিতে সোমবার রাজ্য বাজেটে ‘চা-সুন্দরী’ প্রকল্পের ঘোষণা করলেন অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র। দ্বিতীয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের শেষ পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশ করলেন অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র। ভোটের আগে এটাই মমতা-সরকারের শেষ বাজেট। এবারের রাজ্য বাজেটে চা-শিল্প নিয়ে কিছু না কিছু ঘোষণা থাকবে এমনটাই আন্দাজ করা হয়েছিল। বাজেট পেশের পরে দেখা গেল চা-শ্রমিকদের জন্য জনমোহিনী প্রকল্প নিয়ে এসেছে রাজ্য সরকার। চা-শ্রমিকদের পাকাপাকি মাথা গোঁজার ঠাঁই দিতে রাজ্য সরকারের নতুন প্রকল্প ‘চা-সুন্দরী।’ রাজ্যের অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র বলেন, রাজ্যে প্রায় ৩৭০টি চা বাগান আছে। সেখানে কাজ করেন তিন লক্ষাধির চা-শ্রমিক। তাঁদের মধ্যে ৫০ শতাংশই মহিলা। এই চা-শ্রমিকদের সিংহভাগ আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষজন। তাঁদের বেশিরভাগেরই মাথা গোঁজার জায়গা নেই। ‘চা-সুন্দরী’ প্রকল্পের আওতায় আগামী তিন বছর রাজ্য সরকার চা-বাগানে স্থায়ীভাবে কর্মরত গৃহহীন শ্রমিকদের আবাসনের ব্যবস্থা করবে। তারজন্য আগামী অর্থবর্ষে ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করার কথা ঘোষণা করা হয়েছে। ২০২১ সালে রাজ্যে বিধাসভা নির্বাচন। তার আগে শেষ পূর্ণাঙ্গ বাজেটে অনেক দরাজ রাজ্য সরকার। বাজেট পেশের পরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘‘রাজ্যে অনেক চা-শ্রমিক আছেন যাদের মাথা গোঁজার জায়গা নেই। তাঁদের জন্যই এই চা সুন্দরী প্রকল্প। বন্ধ চা বাগানগুলির শ্রমিকদের এখনই অনেক সুবিধা দেয় রাজ্য সরকার। বিনা পয়সা বিদ্যুৎ, রেশন, মিড-ডে মিল, নিখরচায় চিকিৎসার ব্যবস্থা সহ অনেক সুবিধাই আছে। এবার গৃহহীনদের বাসস্থান দেওয়াও লক্ষ্য ছিল আমাদের। ’’ একসময়ে চা বাগানের মালিকপক্ষই রেশন সরবরাহ করতেন। রেশন বাবাদ যে টাকা ব্যয় হতো তা মজুরির অংশ হিসেবেই দেখানো হতো। জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা আইন হওয়ার পর থেকে বাগান শ্রমিকদের রেশনের ভার সরকারই তুলে নেয়। ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাস থেকে শ্রমিক পরিবার পিছু ৩৫ কেজি চাল-আটা পেয়ে আসছেন ডুয়ার্স-তরাইয়ের চা শ্রমিকরা। রাজ্য সরকারের তরফ থেকে চা-শ্রমিকদের ২ টাকা কেজি দরে চাল ছাড়াও, নিখরচায় বিদ্যুৎ, চিকিৎসার ব্যবস্থা, মিড-ডে মিল ও আরও নানা সুবিধা রয়েছে।

```