দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভয়ঙ্কর তুষারধসের কবলে সেনাবাহিনী। উত্তর সিকিমের লুগনাক লা এলাকায় টহল দিচ্ছিল ভারতীয় জওয়ানদের একটি দল। আচমকাই এলাকায় বিশাল তুষারধস নামে। তলিয়ে যান জওয়ানরা। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় শুরু হয় উদ্ধারকাজ। সেনা সূত্রে খবর, এক জওয়ানের খোঁজ মিলছে না এখনও। বাকিদের উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।
উত্তর সিকিমের ওই এলাকায় তুষারধস হামেশাই নামে। সেনা সূত্র জানাচ্ছে, কয়েকদিন ধরেই ভারী তুষারপাত হচ্ছিল এলাকায়। এদিন হঠাৎ করেই ধস নামে। সেই সময় ওই এলাকায় ১৭-১৮ জন সেনার একটি টহলদারি দল মোতায়েন ছিল। তাঁদের মধ্যে একজন এখনও নিখোঁজ। বাকিদের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল বলেই জানা গেছে।
সেনা সূত্রে জানা গেছে, এপ্রিলেই তুষারধস নেমেছিল উত্তর সিকিমের এই এলাকায়। ওই তুষারধসের মাঝে পড়ে গিয়েছিলেন ল্যান্স নায়েক সঞ্জীব রেড্ডি।
গত সপ্তাহেই উত্তর সিকিমের নাকু লা সেক্টরে মুখোমুখি সংঘর্ষে জড়িয়েছিলেন চিন ও ভারতের সেনারা। ভারতীয় সেনা সূত্র জানিয়েছিল, চুক্তি অমান্য করে ক্রমশই নাকু লা-র দিকে এগিয়ে আসছিল চিনের বাহিনী। রুখে দাঁড়ায় ভারতীয় জওয়ানরা। হাতাহাতি শুরু হয় দু’তরফেই। জখম হন দুই পক্ষের সেনারাই। এরপর থেকেই নাকু লা সেক্টর-সহ উত্তর সিকিমের বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে টহলদারি শুরু করেছে ভারতীয় বাহিনী। এই টহলদারি বাহিনীরই একটি দল এ দিন তুষারধসের মুখে পড়ে যায়।
এ বছর জানুয়ারিতেই কাশ্মীরে ভয়াবহ তুষারধসের কবলে পড়ে প্রাণ হারান পাঁচ সেনা জওয়ান-সহ ১০ জন। কাশ্মীরের কুপওয়ারা জেলার মাচিল সেক্টরের সীমান্ত এলাকায় আচমকাই বিশাল তুষারধস আছড়ে পড়ে সেনাচৌকির উপরে। সে সময়ে ডিউটিতে থাকা জওয়ানরা প্রায় সকলেই চাপা পড়ে যান। পরে তাঁদের উদ্ধার করা হয় বরফ খুঁড়ে। ততক্ষণে পাঁচ জনের মৃত্যু হয়।