
শেষ আপডেট: 29 April 2023 14:45
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বাম জমানায় সিপিএমের দুর্গ বলে পরিচিত ছিল উত্তর ২৪ পরগণার শাসন। সেখানে শাসন চলত মজিত মাস্টারদের। বাংলায় পালা বদলের পর সেই শাসন থেকে বেমালুম উধাও হয়ে গিয়েছিল লাল নিশান। পঞ্চায়েত থেকে বিধানসভা সব স্তরে ক্ষয়িষ্ণু হয়ে পড়েছিল সিপিএমের ভোট। তালা পড়ে গিয়েছিল দলের পার্টি অফিসে।
এহেন শাসনে ১২ বছর পার্টি অফিসের তালা খুলল সিপিএম (CPM party office opened)। কেবল তাই নয় পঞ্চায়েত ভোটের তৃণমূলের বুথ সভাপতি সহ চারশ জন কর্মী সমর্থক যোগ দিল (400 tmc workers joined) সিপিএমে। পঞ্চায়েত ভোটের আগে এই ব্যতিক্রমী বইকি। কোথাও কোথাও নিচু তলায় তৃণমূলের মধ্যে যে দ্বন্দ্ব রয়েছে এতে সেটাও স্পষ্ট হল। তবে এই প্রশ্নও উঠছে যে, সিপিএমে এই সংস্কৃতি এল কবে থেকে? এভাবে কি হাতে ঝাণ্ডা ধরে সিপিএমে ফেরা যায়?
মজিদ মাস্টারের দাপট শাসনে ইতিহাস হয়ে গিয়েছে। কিন্তু পুরনো সেই দাপট না ফেরাতে পারলেও দলের পার্টি অফিস নতুন করে খোলাকে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন সিপিএমের অনেকেই। শনিবার সেই পার্টি অফিসের উদ্বোধনও হয়েছে।
তৃণমূলের বুথ সভাপতি আব্দুল সাত্তার দাবি করেছেন, দলের স্থানীয় নেতাদের একাংশের উপরে বিরক্ত হয়ে শাসনের মানুষ মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন। দলে গোষ্ঠী দ্বন্দ্বও রয়েছে।
সিপিএমের উত্তর ২৪ পরগণা জেলা সম্পাদক মৃণাল চক্রবর্তীর কথায়, “তৃণমূলের অত্যাচারে অতীষ্ঠ এলাকার মানুষ। তাঁরা পরিত্রাণের পথ খুঁজছেন। সেই কারণ দল ছাড়ার হিড়িক পড়েছে।” তবে এ ব্যাপারে গুরুত্ব দিতে নারাজ তৃণমূলের ব্লক সভাপতি শম্ভু ঘোষ । তিনি বলেছেন, “যাঁরা সিপিএমে যোগদান করেছেন বলে দাবি করা হচ্ছে, তাঁদের অনেক আগেই দল থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে”। আবার তৃণমূলের এক রাজ্য নেতা বলেছেন, এখন যে দল ছাড়া বা যোগ দেওয়ার ট্রেন্ড দেখা যাচ্ছে, তা সাময়িক। পঞ্চায়েত ভোটে টিকিট পাওয়ার সম্ভাবনা না দেখে কেউ কেউ এ সব করছে। এর কোনও দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব নেই।
‘দেব তো নিজেই চোর, ওর ভাই কী বলবে?’ বিস্ফোরক অভিযোগ শুভেন্দুর