
শেষ আপডেট: 10 June 2023 14:15
দ্য ওয়াল ব্যুরো, পূর্ব বর্ধমান: প্রতিবেশী যুবকের সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়েছিলেন স্ত্রী। জানতে পেরেই সঙ্গে সঙ্গে মহিলাকে টানতে টানতে তাঁর প্রেমিকের বাড়িতে ছেড়ে দিয়ে আসেন স্বামী। এরপর সেই নিয়ে কথা কাটাকাটি শুরু হয় দু’পক্ষের। আর সেখান থেকে হাতাহাতি। পরিস্থিতি এমনই বেগতিক হয় যে, স্বামী ও প্রেমিক- দু’জন দু’জনকে মেরে মাথা ফাটিয়ে দেয়। শেষে একে অপরের বিরুদ্ধে থানাতেও অভিযোগ দায়ের করেন তাঁরা। ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানে ভাতারে।
জানা গিয়েছে, প্রতিবেশী যুবক সুকুমার দাসের সঙ্গে প্রায় চার বছর ধরে বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক রয়েছে ওই মহিলার। শুক্রবার গভীর রাতে প্রেমিকের সঙ্গে ফোনে স্ত্রীর প্রেমালাপ শুনতে পান স্বামী ডালিম দাস। এরপর ঘরে ঢুকে তাঁকে হাতেনাতে ধরে ফেলেন তিনি। সেখান থেকে স্ত্রীকে মারতে মারতে প্রেমিকের বাড়ির সামনে নিয়ে আসেন ডালিম। সঙ্গে ছিল একটি ক্রিকেট ব্যাটও। এরপরই শুরু হয় অশান্তি।
অভিযোগ, স্ত্রীর প্রেমিক বেরিয়ে এসে তর্ক শুরু করতেই ওই ক্রিকেট ব্যাট দিয়ে তাঁর মাথা ফাটিয়ে দেন মহিলার স্বামী। পাল্টা মারেন ওই প্রতিবেশী যুবক নিজেও। মারধরের চোটে মাথা ফাটে দু’জনেরই। খবর পেয়ে এলাকায় যায় ভাতার থানার পুলিশ। সুকুমারকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এদিকে এত ঝামেলা-অশান্তির পর ওই বধূ বলেন, ‘আমার স্বামী তো মেরে তাড়িয়ে দিয়েছে। তাই যাকে ভালবাসি, এবার তাঁর সঙ্গেই সংসার করতে চাই।’
জানা গিয়েছে, মহিলার স্বামী ডালিম দাস জনমজুরি করেন। অল্প কিছু জমিজমা রয়েছে। বছর দশেক আগে তাঁদের বিয়ে হয়। ৯ বছরের এক কন্যাসন্তানও রয়েছে এই দম্পতির। অপরদিকে ওই পাড়ারই বাসিন্দা সুকুমার দাসের সঙ্গে বছর চারেক ধরেই পরকীয়ায় রয়েছেন সেই মহিলা। এদিকে বছর দেড়েক আগে সুকুমারের স্ত্রী মারা যান। বর্তমানে এক ছেলেকে নিয়ে থাকেন সুকুমার। মহিলা বলেন, ‘আমার স্বামী আমাকে কোনওদিন ভালইবাসেনি। খুবই সন্দেহ করে। মাঝেমধ্যে মারধরও করে আমাকে। শুক্রবার রাতে মারতে মারতে সুকুমারের বাড়িতে দিয়ে চলে যায়। বলে আমার সঙ্গে আর ঘর করবে না।’
জামালপুরের গ্রামে ঘুরে বেড়াচ্ছে ময়ূর, জানাজানি হতেই বাসিন্দাদের ভিড়