
শেষ আপডেট: 2 September 2021 02:54
বি.১.৬২১ প্রজাতিকে ‘ভ্যারিয়ান্ট অব কনসার্ন’ (VOC) বলে উল্লেখ করেছে হু। এই প্রজাতির মিউটেশনের হার বেশি। খুব দ্রুত জিনের গঠন বিন্যাস বদলাতে পারে। অতি সংক্রামক ও সুপার-স্প্রেডার, অর্থাৎ মানুষের শরীরে দ্রুত সংক্রামিত হতে পারে। এমনকি বিজ্ঞানীরা অনুমান করছেন, ভ্যাকসিনের প্রভাব নিষ্ক্রিয় করে দেওয়ার ক্ষমতাও নাকি আছে এই ভ্যারিয়ান্টের। তবে এই বিষয়ে বিস্তারিত গবেষণার পরেই সবটা জানা যাবে। নয়া প্রজাতির জিনোম সিকুয়েন্স বা জিনগত বিন্যাস বের করার কাজ চলছে।
কোভিডের ভয়ঙ্কর সব প্রজাতিগুলোর মধ্যে ডেল্টা ও আলফাকেই চিহ্নিত করেছিল হু। এর মধ্যে আলফা ছড়িয়েছে বিশ্বের ১৯৩টি দেশে ও ডেল্টা ১৭০টি দেশে।
করোনার আরও একটি মারাত্মক প্রজাতিও এসে গেছে যার নাম সি.১.২ (C.1.2)। প্রথম খুঁজে পাওয়া যায় দক্ষিণ আফ্রিকায়। বিজ্ঞানীরা বলছেন, এ বছর মে মাসে দক্ষিণ আফ্রিকায় কোভিডের এই নতুন প্রজাতির দেখা মেলে। এর পরে চিন, কঙ্গো প্রজাতন্ত্র, মরিশাস, ইংল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড, পর্তুগাল ও সুইৎজারল্যান্ডে সি.১.২ প্রজাতি ছড়িয়ে পড়ে। ভাইরাস বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কোভিডের প্রথম ঢেউয়ে দক্ষিণ আফ্রিকায় সি.১ ভ্যারিয়ান্ট ছড়িয়ে পড়ে। মনে করা হচ্ছে, এই ভ্যারিয়ান্টেরই জিনের গঠন বিন্যাস বদলে সি.১.২ ভ্যারিয়ান্ট তৈরি হয়েছে। নতুন এই প্রজাতিকে ‘উদ্বেগজনক‘ (ভ্যারিয়ান্ট অব কনসার্ন) বলছেন বিজ্ঞানীরা।
পড়ুন দ্য ওয়ালের সাহিত্য পত্রিকা 'সুখপাঠ'