
শেষ আপডেট: 1 February 2020 12:10
এই স্বল্প বৃদ্ধি দেশের প্রতিরক্ষার খাতে বিভিন্ন বড় পরিকল্পনা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে বাধা হয়ে দাঁড়াবে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। কারণ চিন ও পাকিস্তানের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে প্রতিরক্ষাকে আরও শক্তিশালী করার জন্য বিভিন্ন পরিকল্পনা রূপায়ণ করার দরকার ছিল বলেই বক্তব্য তাঁদের।
বাজেটে প্রতিরক্ষা খাতে এই বরাদ্দের পরিমাণ সেভাবে খুব একটা বেশি না বাড়ায় তার প্রভাব স্থলবাহিনী, বায়ুসেনা ও নৌসেনার উপর পড়তে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই এম৭৭৭ হাওইটজার, কে৯ ভাজরা অটোমেটিক গান, ধনুষ-এর মতো অস্ত্র ব্যবহার করে ভারতীয় সেনা। চিন, পাকিস্তানের মোকাবিলা করতে গেলে এই অস্ত্রের দরকার পড়ে সেনার। এই ধরনের অস্ত্র ভালভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করতে হলে টাকার প্রয়োজন।
এই স্বল্প বরাদ্দের প্রভাব পড়তে পারে নৌসেনার উপরেও। কারণ এর আগে পুরনো আর্থিক বর্ষের বরাদ্দ এখনও পুরো হাতে পায়নি তারা। বারবার এই বরাদ্দ চেয়ে কেন্দ্রের কাছে আবেদন করেছে নৌসেনা। সেই বরাদ্দ না মেলায় ২০২৭ সালের মধ্যে ২০০ টি যুদ্ধজাহাজ তৈরির পরিকল্পনা থেকে সরে আসতে হয়েছে তাদের। নৌসেনা ইতিমধ্যেই কয়েকটি পরিকল্পনা নিয়েছে মাইন কাউন্টার মেজার ভেসেলসের মতো জাহাজ তৈরি করার। কিন্তু এই স্বল্প বরাদ্দে তা কতটা সম্ভব, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
এই বিষয়ে অবশ্য কোনও মন্তব্য করতে চাননি কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। বাজেট পেশ হওয়ার পর তিনি বলেন, “এই দশকের প্রথম বাজেট পেশ করা হল। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নতুন ভারতের এক রূপরেখা দেখিয়েছেন। এই বাজেট উন্নয়নের পথেই দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। এক নতুন ভারতের দিকেই এগিয়ে চলেছি আমরা।”