দ্য ওয়াল ব্যুরো: অনেকবার বারণ করেছিলেন মেয়েকে। ১৭ বছরের কলেজ পড়ুয়া মেয়ে শোনেনি কথা। সহপাঠী ‘ছেলে বন্ধু’কে ঘনঘন টেক্সট, তার বাইকে চেপে কলেজে যাওয়া থামায়নি। আর এই অপরাধেই মেয়েকে বালিশ চাপা দিয়ে খুন করল বাবা।
ঘটনাটি ঘটেছে মহারাষ্ট্রের আহমেদনগর জেলায়। মেয়েকে খুন করার পর নিজেও গায়ে আগুন দেয় বাবা। জলন্ত অবস্থায় ঝাঁপ দেয় বাড়ির কাছেরই একটি ডোবায়। তারপর সেখান থেকে উদ্ধার হয় তার দেহ।
গোটা ঘটনায় যোগের অভিযোগে পুলিশ ওই কিহসোরীর দুই তুতো কাকাএ গ্রেফতার করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, প্রায় ৩৫ জনের কাছ থেকে বয়ান নেওয়া হয়েছে। তাঁরা পুলিশকে জানিয়েছেন, ওই বাড়িতে অশান্তি লেগেই ছিল। মেয়ে হয়ে কেন একজন ছেলে বন্ধুর সঙ্গে দিনে দুপুরে ঘুরে বেড়াবে, এটাই ছিল বাড়ির লোকের আপত্তির কারণ।
পরিবারের অন্যরাও এটা মেনে নেননি। চেয়েছিলেন মেয়ে যেন সরে আসে। পড়শি এক গৃহবধূ সংবাদ সংস্থা পিটিআই-কে জানিয়েছে, ওই বাড়িতে এই কারণে গত চার মাস ধরে অশান্তি চলছিল। কিন্তু মেয়েও ছিল নাছোড়বান্দা। বাড়ির লোকের মুখের উপরই জানিয়ে দিয়েছিল, সে কোনও খারাপ কাজ করছে না। এটার মধ্যে কোনও অস্বাভাবিকতা নেই।
কিন্তু সামাজিক মর্যাদা ক্ষুন্ন হতে পারে এই ভেবেই পরিবারের চাপ চলছিলই। শেষমেশ মেয়েকে পথে না আনতে পেরে তাঁকে শেষই করে দিল বাবা। পুলিশ জানিয়েছে, যে ছেলেটির সঙ্গে মেয়েটির বন্ধুত্ব ছিল, তাকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।