সম্প্রতি সমাজমাধ্যমে একটি ভিডিও ভাইরাল (Socila Media Viral Vodeo) হয়েছে, যেখানে হাতির পালের দিকে আগুনের গোলা ছোড়া হচ্ছে বলে দেখা গিয়েছে।

ফাইল ছবি
শেষ আপডেট: 2 September 2025 09:57
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ঝাড়গ্রামের পর ফের হাতিদের (Elephant) লক্ষ্য করে আগুনের গোলা ছোড়ার অভিযোগ। এ বার ঘটনাস্থল পশ্চিম মেদিনীপুর (West Midnapore)। সম্প্রতি সমাজমাধ্যমে একটি ভিডিও ভাইরাল (Socila Media Viral Vodeo) হয়েছে, যেখানে হাতির পালের দিকে আগুনের গোলা ছোড়া হচ্ছে বলে দেখা গিয়েছে। (ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি দ্য ওয়াল)
ঘটনা সামনে আসতেই তৎপর হয় বনদফতর (WB Forest Department)। তদন্তে নেমে ইতিমধ্যেই চার জনকে শনাক্ত করেছে কর্তৃপক্ষ। তাঁদের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে বলে বনদফতর সূত্রে খবর।
পাঁচ মাস আগেই প্রায় ৮০টি হাতির দল বাঁকুড়া থেকে পাড়ি দিয়েছিল পশ্চিম মেদিনীপুরে। ভয় দেখিয়ে সেগুলিকে তড়ানো হয়। এরপর বাঁকুড়ায় ঢুকে পড়ে সেই দলেরই একাংশ। রবিবার গভীর রাতে পশ্চিম মেদিনীপুরের সীমানা পেরিয়ে প্রায় ২৫টি হাতি প্রবেশ করে বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুর বন বিভাগের বাঁকাদহ রেঞ্জে।
আমানের ভরা মরসুমে হাতিদের এই আগমন স্থানীয় কৃষকদের জন্য কাল হয়ে দাঁড়িয়েছিল। রাতভর আস্থাশোল, বারিশোল ও ফুলবনির বিস্তীর্ণ মাঠে ধান খেয়ে ও মাড়িয়ে নষ্ট করে দেয় হাতির দল। বিঘের পর বিঘে জমির ফসল এক ধাক্কায় শেষ হয়ে যায়। ফলে মাথায় হাত পড়েন কৃষকরা।
বনদফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, শীতের শেষে দফায় দফায় বাঁকুড়ার জঙ্গল ছেড়ে পশ্চিম মেদিনীপুরে গিয়েছিল হাতির দলগুলি। জেলায় কেবলমাত্র তিনটি দলছুট হাতি থেকে গিয়েছিল। এ বার তাদের সঙ্গেই যুক্ত হয়েছে পশ্চিম মেদিনীপুর থেকে আসা নতুন ২৫টি হাতি। স্থানীয় সূত্রে খবর, কয়েক দিন ধরেই দুই জেলার সীমান্তে অবস্থান করছিল দলটি। রবিবার রাতে আস্থাশোল হয়ে তারা বাঁকুড়ায় ঢোকে। সোমবার সকালেই দেখা যায়, গড়ুরবাসার জঙ্গলে গিয়ে আশ্রয় নিয়েছে তারা।
হাতির দলের ঢোকার খবর ছড়িয়ে পড়তেই রাতভর মাঠে ফসল পাহারা দেন স্থানীয় চাষিরা। কিন্তু সমস্ত চেষ্টা সত্ত্বেও ফসল বাঁচানো যায়নি।