দ্য ওয়াল ব্যুরো : করোনা অতিমহামারীতে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল গাড়ির বাজার। লকডাউন আংশিক উঠে যাওয়ার পরে গাড়ির বাজার কিছুদূর চাঙ্গা হয়েছে। শনিবার বিবৃতি দিয়ে মারুতি সুজুকি জানিয়েছে, জুলাইতে তারা বিক্রি করেছে ১ লক্ষ ৮ হাজার ৬৪ টি গাড়ি। তার মধ্যে এক লক্ষ বিক্রি হয়েছে দেশের বাজারে। গাড়ির বিক্রি অবশ্য কোভিড ১৯ অতিমহামারী শুরু হওয়ার আগের পর্যায়ে পৌঁছায়নি। তবে ভারতের সবচেয়ে বড় গাড়ি নির্মাতা সংস্থা মারুতি সুজুকি যথেষ্ট আশাবাদী। তাদের ধারণা জুলাইতে যেভাবে বিক্রি বেড়েছে, তাতে মনে হয় অদূর ভবিষ্যতে গাড়ির বাজার ফের চাঙ্গা হয়ে উঠবে।
মারুতির বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ২০১৯ সালের জুলাইতে যে পরিমাণে গাড়ি বিক্রি হয়েছিল, ২০২০ সালের জুলাইতে বিক্রি হয়েছে তার থেকে মাত্র ১.১ শতাংশ কম। জুন মাসের তুলনায় জুলাইতে গাড়ির বিক্রি বেড়েছে ৮৮.২ শতাংশ। গত এপ্রিলে গাড়ির বিক্রি নেমে গিয়েছিল প্রায় শূন্যে।
জুলাইতে ছোট গাড়িই বিক্রি হয়েছে বেশি। মারুতির অলটো ও এস প্রেসো বিক্রি হয়েছে মোট ১৭ হাজার ২৫৮ টি। এস প্রেসো গাড়ি বাজারে আনা হয়েছিল গতবছর সেপ্টেম্বরে।
জুলাইতে ইউটিলিটি ভেহিকলের বিক্রিও আশাব্যঞ্জক। ওই মাসে ইউভি বিক্রি হয়েছে ১৯ হাজার ১৭৭ টি। গতবছর জুলাই মাসের তুলনায় এবছরের জুলাইতে ইউটিলিটি ভেহিকলের বিক্রি বেড়েছে ২৬.৩ শতাংশ। ইউভি-র মধ্যে আছে এরতিগা, ভিতারা ব্রেজ্জা এবং এক্স এল সিক্স।
মারুতির কমপ্যাক্ট ভেহিকেলের বিক্রি বরাবরই বেশি। জুলাইতে ওই ধরনের গাড়ি বিক্রি হয়েছে ৫১ হাজার ৫২৯ টি। তার মধ্যে আছে ওয়াগনার, সুইফট, ইগনিস, বালেনো, ডিজায়ার ও ট্যুর এস। ২০১৯ সালের জুলাইয়ের থেকে গত জুলাইয়ে কমপ্যাক্ট ভেহিকেল বিক্রি হয়েছে ১০.৪ শতাংশ কম।
মাঝারি আকারের গাড়ির বিক্রি যেভাবে কমছে, তাতে রীতিমতো উদ্বিগ্ন হয়েছেন মারুতি-সুজুকির কর্তারা। গত মাসে সিয়াজ গাড়ি বিক্রি হয়েছে ১৩০৩ টি। গত কয়েক মাস ধরেই মাঝারি আকারের গাড়ির বিক্রি কমছে।
মারুতি সুজুকি প্রেস বিবৃতিতে জানিয়েছে, তারা কর্মীদের নিরাপত্তার দিকে নজর রেখেছে। নিরাপত্তার জন্য সবরকম ব্যবস্থা নিয়েই গাড়ি উৎপাদন ও বিক্রি করা হচ্ছে।