Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
টাইম ম্যাগাজিনের ১০০ প্রভাবশালীর তালিকায় তারেক রহমান, কেন তাঁকে বাছল খ্যাতনামা মার্কিন সাময়িকী?West Bengal Election 2026 | ‘ভবানীপুরে কেন শুভেন্দু’, ‘ফাটকা’র ব্যাখ্যায় দিলীপ ঘোষ‘অন্যের ভোট কেউ দিয়ে দেবে, সেটা আর হবে না’, মুখ্যমন্ত্রীর গাড়ি সার্চ নিয়েও মুখ খুললেন সিইওবাংলা নববর্ষের সূচনায় তারেকের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়ে হাসিনা পুত্রের অভিযোগ, দেশ বিদেশি প্রভুদের দখলেপুলিশ তো বটেই, সরকারি গাড়িতেও এবার তল্লাশি হবে! অবাধ ভোটের লক্ষ্যে নজিরবিহীন নির্দেশিকা এডিজি-রWest Bengal Election 2026 | ভোটের আঁচে ফুটছে মেদিনীপুরকর্নাটকে 'পিরিয়ড লিভ' এবার বাধ্যতামূলক! গোটা রাজ্যেই ১ দিন বেতন-সহ ছুটির নির্দেশ হাইকোর্টের'জয় বাংলা' স্লোগান শুনে মেজাজ হারালেন শুভেন্দু, তেড়ে গেলেন! বালি থানার আইসি-কে হুঁশিয়ারি‘অপরাধ’ বাংলায় কথা বলা! ভোটের মুখে ওড়িশায় ‘বাংলাদেশি’ সন্দেহে আটক মালদহের ১৭ পরিযায়ী শ্রমিক'এটা কাটতে পারব না', জাতীয় পতাকার রঙের ফিতে দেখে পিছু হটলেন ওমর, মুখ্যমন্ত্রীর প্রশংসায় নেটপাড়া

মুখ্যমন্ত্রীর দাবি খারিজ! গঙ্গাসাগর মেলাকে ‘জাতীয়’ তকমা নয়, স্পষ্ট বার্তা কেন্দ্রের

‘জাতীয় মেলা’র স্বীকৃতির দাবি নিয়ে বহুদিন ধরেই সরব রাজ্য সরকার। এবার সেই দাবিকেই কার্যত খারিজ করল কেন্দ্র।

মুখ্যমন্ত্রীর দাবি খারিজ! গঙ্গাসাগর মেলাকে ‘জাতীয়’ তকমা নয়, স্পষ্ট বার্তা কেন্দ্রের

গঙ্গাসাগর মেলা

পৃথা ঘোষ

শেষ আপডেট: 18 August 2025 18:05

দ্য ওয়াল ব্যুরো: কুম্ভমেলার মতোই গঙ্গাসাগর মেলাও যেন পায় ‘জাতীয় মেলা’র স্বীকৃতি, এই দাবিতে বহুদিন ধরেই সরব রাজ্য সরকার। এবার সেই দাবিকেই কার্যত খারিজ করল কেন্দ্র। 

লোকসভায় তৃণমূল সাংসদ বাপি হালদারের প্রশ্নের জবাবে কেন্দ্রীয় পর্যটন মন্ত্রী গজেন্দ্র সিং শেখাওয়াত স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, গঙ্গাসাগর মেলাকে জাতীয় মেলার স্বীকৃতি দেওয়ার কোনও পরিকল্পনা নেই।

প্রতি বছর মকর সংক্রান্তির সময় বাংলার সাগরদ্বীপে গঙ্গা আর বঙ্গোপসাগরের মিলনস্থলে আয়োজিত হয় গঙ্গাসাগর মেলা। জনসমাগমের নিরিখে যা কুম্ভমেলার পরেই স্থান পায়,  বছরে প্রায় এক কোটির বেশি ভক্তের আগমন ঘটে এই তীর্থযাত্রায়। সেই তুলনায় কেন্দ্রের উদাসীনতা নিয়ে ক্ষোভ চেপে রাখেননি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

“গঙ্গাসাগরের জন্য সব করেছি, কেন্দ্র কিছুই করছে না,” আগেই সাফ জানিয়ে দিয়েছিলেন তিনি। মেলাকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই তৈরি হয়েছে হেলিপ্যাড, হাসপাতাল, জেটি, পরিবহণের পরিকাঠামো।

তাঁর অভিযোগ, “কুম্ভমেলার জন্য কেন্দ্র হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ করে। অথচ গঙ্গাসাগর মেলা পায় অবহেলা। একই দেশে কেন্দ্রের দুই ধরনের আচরণ?”

এখানেই শেষ নয়। সাগরদ্বীপে পৌঁছনোর পথে এখনও পর্যন্ত কোনও স্থায়ী সেতু নেই। দীর্ঘদিন ধরেই এই দাবি জানিয়ে আসছেন রাজ্যের প্রশাসন। এবারে গঙ্গাসাগর মেলার সময় মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, এক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সেতু তৈরির আশ্বাস দিলেও “তিন-চার বছর কেটে গেল, কিছুই হল না।” এরপরই মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, "বাংলা কারও অবহেলা বরদাস্ত করে না। ওরা টাকা না দিলে আমরা নিজেরাই সেতু করব।”

নবান্ন সূত্রের খবর, সেই সেতু নির্মাণে খরচ ধরা হয়েছে প্রায় ১,৫০০ কোটি টাকা। সময় লাগবে তিন থেকে চার বছর। এছাড়াও, গঙ্গাসাগর তীরবর্তী কপিলমুনি আশ্রম বারবার সাগরের জলে বিপন্ন হয়ে পড়ছে। তার স্থায়ী সমাধানের জন্য কংক্রিটের বাঁধ নির্মাণেরও পরিকল্পনা রয়েছে রাজ্যের। অন্যদিকে, এদিন কেন্দ্রীয় পর্যটন মন্ত্রকের স্পষ্ট করে দিয়েছেন, গঙ্গাসাগরকে জাতীয় মেলাকে জাতীয় মেলার  মর্যাদা দিতে তারা রাজি নয়।

যা শুনে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ। তিনি বলেন, "এই মেলার সাংস্কৃতিক, ঐতিহাসিক এবং অর্থনৈতিক গুরুত্ব বুঝে কেন্দ্রের উচিত ছিল বৈষম্য না করা। আসলে গঙ্গাসাগর বাংলায় অবস্থিত, তাই কেন্দ্রের এই অবহেলা।"


```