
শেষ আপডেট: 2 February 2024 18:18
দ্য ওয়াল ব্যুরো, মালদহ: মাধ্যমিকের প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়া ঠেকাতে আগাম ব্যবস্থা নিয়েছিল শিক্ষা পর্ষদ। কিন্তু তাতেও পরীক্ষা চলাকালীন হোয়াটস অ্যাপে প্রশ্নপত্রের ছবি ভাইরাল হয়। পরীক্ষা শেষ হওয়ার পরেই এ বিষয়ে সাংবাদিক বৈঠক করলেন পর্ষদ সভাপতি রামানুজ গঙ্গোপাধ্যায়।
রামানুজবাবু জানিয়েছেন, লখিমপুর ও ইংরেজবাজার এই দুই জায়গা থেকে পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের ছবি বাইরে আসে। যে দুজন এই কাণ্ড ঘটিয়েছে তাদের একজন ন’ঘরিয়া হাইস্কুলের ছাত্র, অন্যজন চামাগ্রাম হাইস্কুলের ছাত্র। একজনের সিট পড়েছিল ইংরেজবাজারে রায়গ্রাম হাইস্কুলে। অন্যজন লখিমপুর বেদরাবাদ হাইস্কুলে পরীক্ষা দিচ্ছিল। এই দুজনই প্রশ্নপত্রের ছবি তুলে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল করে দেয়। ঘটনার ২৫ মিনিটের মধ্যেই দুই ছাত্রকে ট্র্যাক করে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
পর্ষদ সভাপতি বলেন, "এই দুই ছাত্র আর এবছর পরীক্ষা দিতে পারবে না। তাদের পরীক্ষা আমরা বাতিল করেছি। আমরা এতে আনন্দ পাইনি। এটা অনাকাঙ্খিত ঘটনা।"
পরবর্তী পরীক্ষাগুলি নিয়ে রামানুজবাবু বলেন, "দয়া করে কেউ আর এমন যেন না করেন। ছেলে-মেয়েদের বডি সার্চ করা সম্ভব নয়। তবুও আমি শিক্ষকদের বলব আরও বেশি কড়া নজরদারি রাখতে হবে।"
শুক্রবার ছিল মাধ্যমিকের প্রথম দিন । পৌনে ১০টায় পরীক্ষার প্রশ্নপত্র বিলি করা হয়েছিল। এর কিছুক্ষণ পরেই হোয়াটস অ্যাপে প্রথম ভাষার পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ছড়িয়ে পড়তে থাকে। তাতে বিভ্রান্তি ছড়ায়। তবে শিক্ষা পর্ষদ অপরাধী ধরতে বাড়তি ব্যবস্থা নিয়েছিল। এবারের প্রতিটি প্রশ্নপত্রের মধ্যেই আছে বার কোড। এদিন প্রশ্নপত্র ফাঁস হতেই বার কোড ধরে ছাত্রদের ধরে ফেলল পর্ষদ।