আগামী ২১ অগস্ট মামলার পরবর্তী শুনানি। ততদিন নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত অন্তর্বর্তীকালীন এই নির্দেশ বজায় থাকবে।

ফাইল ছবি
শেষ আপডেট: 11 August 2025 16:32
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ২০২১-এর নির্বাচনের পর কাঁকুড়গাছির বিজেপি নেতা (BJP Worker) অভিজিৎ সরকার খুনের মামলায় নাম জড়িয়েছে তৃণমূল (TMC) বিধায়ক পরেশ পাল, কলকাতা পুরসভার মেয়র পারিষদ (বস্তি) স্বপন সমাদ্দার এবং ৩০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পাপিয়া ঘোষের। সোমবার তাঁদের আপাত-স্বস্তি দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। বিচারপতি জানিয়েছেন, ভোট পরবর্তী হিংসা মামলায় নিম্ন আদালতে এখনই হাজিরা দিতে হবে না তাঁদের।
সোমবার এই সংক্রান্ত মামলার শুনানিতে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত জানান, আগামী ২১ অগস্ট মামলার পরবর্তী শুনানি। ততদিন নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত অন্তর্বর্তীকালীন এই নির্দেশ বজায় থাকবে। প্রসঙ্গত, এই মামলায় আগাম জামিনের জন্য আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তাঁরা। সেক্ষেত্রে হাইকোর্ট তাঁদের কিছুদিনের জন্য স্বস্তি দিল।
ইতিমধ্যে একই মামলায় অভিযুক্ত ইন্সপেক্টর রত্না সরকার ও এক হোমগার্ডকে (Home guard) শর্তসাপেক্ষে জামিন দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। তাঁদের বিরুদ্ধে হিংসায় মদত দেওয়া এবং প্রশাসনিক দায়িত্বে গাফিলতির মতো গুরুতর অভিযোগ ওঠে। তদন্তে নেমে তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ। পরে গ্রেফতার করা হয় দু’জনকে।
তবে জামিন দিলেও আদালতের নির্দেশ, তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করতে হবে তাঁদের। আদালতে নির্দিষ্ট তারিখে হাজিরা দিতে হবে নিয়ম মেনে। কোনও ভাবেই মামলার সাক্ষীদের প্রভাবিত করা চলবে না। পাশাপাশি, আদালতের অনুমতি ছাড়া নির্দিষ্ট এলাকা ত্যাগও করতে পারবেন না অভিযুক্তরা।
আইনজীবীদের মতে, জামিন পেলেও মামলা থেকে এখনও অব্যাহতি পাননি তাঁরা। বিচারপ্রক্রিয়া চলবে যথারীতি।
২০২১ সালের বিধানসভা ভোট-পরবর্তী হিংসার সময় কলকাতার কাঁকুড়গাছিতে বিজেপি নেতা অভিজিৎ সরকারের রহস্যমৃত্যু ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। পরিবারের অভিযোগ ছিল, তাঁকে পিটিয়ে এবং গলায় তার পেঁচিয়ে খুন করা হয়। প্রথমে পুলিশ ১৫ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দিলেও, পরবর্তীতে হাইকোর্টের নির্দেশে তদন্তভার যায় সিবিআইয়ের হাতে। তারপরই নাম উঠে আসে তৃণমূলের একাধিক নেতার।