Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
টাইম ম্যাগাজিনের ১০০ প্রভাবশালীর তালিকায় তারেক রহমান, কেন তাঁকে বাছল খ্যাতনামা মার্কিন সাময়িকী?West Bengal Election 2026 | ‘ভবানীপুরে কেন শুভেন্দু’, ‘ফাটকা’র ব্যাখ্যায় দিলীপ ঘোষ‘অন্যের ভোট কেউ দিয়ে দেবে, সেটা আর হবে না’, মুখ্যমন্ত্রীর গাড়ি সার্চ নিয়েও মুখ খুললেন সিইওবাংলা নববর্ষের সূচনায় তারেকের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়ে হাসিনা পুত্রের অভিযোগ, দেশ বিদেশি প্রভুদের দখলেপুলিশ তো বটেই, সরকারি গাড়িতেও এবার তল্লাশি হবে! অবাধ ভোটের লক্ষ্যে নজিরবিহীন নির্দেশিকা এডিজি-রWest Bengal Election 2026 | ভোটের আঁচে ফুটছে মেদিনীপুরকর্নাটকে 'পিরিয়ড লিভ' এবার বাধ্যতামূলক! গোটা রাজ্যেই ১ দিন বেতন-সহ ছুটির নির্দেশ হাইকোর্টের'জয় বাংলা' স্লোগান শুনে মেজাজ হারালেন শুভেন্দু, তেড়ে গেলেন! বালি থানার আইসি-কে হুঁশিয়ারি‘অপরাধ’ বাংলায় কথা বলা! ভোটের মুখে ওড়িশায় ‘বাংলাদেশি’ সন্দেহে আটক মালদহের ১৭ পরিযায়ী শ্রমিক'এটা কাটতে পারব না', জাতীয় পতাকার রঙের ফিতে দেখে পিছু হটলেন ওমর, মুখ্যমন্ত্রীর প্রশংসায় নেটপাড়া

লাদাখ সীমান্তে চিনের জেড-১৯ কপ্টারের চেয়েও শক্তিশালী ভারতের রুদ্র, অ্যাপাচের চেয়েও আক্রমণাত্মক

দ্য ওয়াল ব্যুরো: পূর্ব লাদাখে চিনের সেনা কিছুটা পিছু হটলেও এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমের রাশ আলগা করেনি ভারতীয় বায়ুসেনা। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় এখনও কড়া নজরদারি চালাচ্ছে মিরাজ-২০০০, সুখোই-৩০ এমকেআই, মিগ-২৯ এর মতো কমব্যাট ফাইটার জেট। মার্কিন প্রযুক

লাদাখ সীমান্তে চিনের জেড-১৯ কপ্টারের চেয়েও শক্তিশালী ভারতের রুদ্র, অ্যাপাচের চেয়েও আক্রমণাত্মক

শেষ আপডেট: 13 July 2020 18:30

দ্য ওয়াল ব্যুরো: পূর্ব লাদাখে চিনের সেনা কিছুটা পিছু হটলেও এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমের রাশ আলগা করেনি ভারতীয় বায়ুসেনা। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় এখনও কড়া নজরদারি চালাচ্ছে মিরাজ-২০০০, সুখোই-৩০ এমকেআই, মিগ-২৯ এর মতো কমব্যাট ফাইটার জেট। মার্কিন প্রযুক্তিতে তৈরি পাঁচটি অত্যাধুনিক অ্যাপাচে কপ্টারও লাদাখের এয়ারবেসে পাঠাচ্ছে ভারতীয় বায়ুসেনা। সেই সঙ্গে রয়েছে চিনুক ও রুদ্র কপ্টার। ভারতের এই অ্যাটাক কপ্টারগুলির মধ্যে দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি রুদ্র তথা হ্যাল-রুদ্র কপ্টারের শক্তি চিনের জেট-১৯ অ্যাটাক কপ্টারের থেকেও বেশি। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা বলেন, সশস্ত্র রুদ্র কপ্টারের শক্তি ও প্রযুক্তি মার্কিন অ্যাপাচেও হার মানাবে। রোটারি উইং রিসার্চ অ্যান্ড ডিজাইন সেন্টারের নকশা এবং হিন্দুস্তান অ্যারোনটিক্স লিমিটেড তথা হ্যালের প্রযুক্তিতে তৈরি ধ্রুব অ্যাডভান্সড লাইট হেলিকপ্টার (ALH) তথা হ্যাল-ধ্রুবের নয়া ভার্সনই হল হ্যাল-রুদ্র। এই অ্যাটাক কপ্টার আকাশ থেকে ভূমিতে মিসাইল ছুড়তে পারে নিঁখুত লক্ষ্যে। অ্যান্টি-ট্যাঙ্ক ওয়ারফেয়ার, আকাশযুদ্ধের জন্যও ব্যবহার করা হয় রুদ্র কপ্টারকে।   রুদ্র কপ্টারের দুটি ভ্যারিয়ান্ট আছে। মার্ক-৩ ও মার্ক-৪। মার্ক-৩ ভার্সনে সেন্সর, টার্গেটিং সিস্টেম আছে কিন্তু মিসাইলের প্রযুক্তি নেই। মার্ক-৪ ভ্যারিয়ান্টে ২০ এমএম টারেট গান, বেলজিয়ান ৭০ এমএম রকেট, এমবিডিএ এয়ার-টু-এয়ার এবং এয়ার-টু-গ্রাউন্ড মিসাইল সিস্টেম রয়েছে। তাছাড়া রুদ্র কপ্টারের মার্ক-৪ ভ্যারিয়ান্ট থেকে ছোড়া যায় হেলিনা মিসাইল। হ্যালের বানানো রুদ্র অ্যাডভান্সড লাইট হেলিকপ্টারের এই মার্ক-৪ ভ্যারিয়ান্টই ভারতীয় বায়ুসেনার হাতে রয়েছে। সূত্রের খবর, লাদাখ এয়ারবেসে হ্যাল-রুদ্র মার্ক-৪ মোতায়েন করেছে ভারতীয় বায়ুসেনা। বিশেষজ্ঞদের মতে, চিনের তৈরি হারবিন জেড-১৯ কপ্টারের থেকেও বেশি শক্তিশালী স্বদেশী রুদ্র কপ্টার। জেড-১৯ লাইট অ্যাটাক হেলিকপ্টার যা চিনের পিপলস লিবারেশন আর্মির জন্য তৈরি করেছে হারবিন এয়ারক্রাফ্ট ম্যানুফ্যাকচারিং কর্পোরেশন (এইচএএমসি)। রুদ্র কপ্টারের প্রোটোটাইপ তৈরি হয় ২০০৭ সালে। অস্ত্র নিক্ষেপের প্রযুক্তি যোগ করে ফায়ারিং ট্রায়াল হয় ২০১১ সালে। ওই বছরেই কপ্টার থেকে ২০ এমএম টারেট গানের ফায়ারিং ট্রায়ালও করে ভারতীয় বায়ুসেনা। রুদ্র কপ্টারে মিস্ট্রাল এয়ার-টু-এয়ার মিসাইল যোগ করা হয় ২০১১ সালের নভেম্বরে। ওই সময়েই ৭০ এমএম রকেট সিস্টেমের প্রযুক্তিও যোগ করে হ্যাল। ধাপে ধাপে অস্ত্রসাজে সাজিয়ে তোলা হয় রুদ্র কপ্টারকে। মিস্ট্রাল হল ইনফ্রারেড হোমিং মিসাইল। ৬.৫ কিলোমিটার রেঞ্জ অবধি লক্ষ্যবস্তুকে নিশানা করতে পারে। ১৫.৮ মিটার দৈর্ঘ্য ও ৪.৯ মিটার উচ্চতার রুদ্র কপ্টারের ওজন সাড়ে পাঁচ হাজার কিলোগ্রাম। ২৬০০ কিলোগ্রাম ওজন বইতে পারে এই কপ্টার। রুদ্র মার্ক-৪ ভ্যারিয়ান্ট ডবল ইঞ্জিন অ্যাটাক কপ্টার। সিয়াচেনের মতো দুর্গ পাহাড়ি এলাকা থেকেও উড়তে ও অবতরণ করতে পারে। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, দুর্গম, পাহাড়ি এলাকায় অধিক উচ্চতায় যুদ্ধ করার মতো প্রযুক্তি রয়েছে রুদ্র কপ্টারের। নাইট ভিশন গুগল (NVG) ককপিটে রাতের আঁধারেও টার্গেট ঠিক করতে পারবেন পাইলট। এতে রয়েছে ডপলার নেভিগেশন, রেডিও অল্টিমিটার, ইলেকট্রো অপটিক পড, হেলমেট-মাউন্টিং সাইট ও হেলমেট-পয়েন্টিং সিস্টেম। এই কপ্টারের নেক্সটার টিএইচএল-২০ মাউন্টেট গান থেকে প্রতি মিনিটে ৭৫০ রাউন্ড ফায়ার করা সম্ভব। যার পাল্লা প্রায় ২০০০ মিটার।

```