.jpg)
শেষ আপডেট: 3 November 2023 17:33
দ্য ওয়াল ব্যুরো, উত্তর ২৪ পরগনা: এমন বহু যুবক-যুবতী রয়েছেন, যাঁরা গৃহশিক্ষকতা বা প্রাইভেট টিউশনকেই উপার্জনের পথ হিসাবে বেছে নিয়েছেন। রাজ্যে তাঁদের সংখ্যা প্রায় ১৫ হাজার। দেশে দিকে তাকালে সংখ্যাটি আরও বেশি।
মূলত, চাকরি না পেয়ে এই বিকল্প পেশা প্রাইভেট টিউশনকে বেছে নিয়েছেন তাঁরা। ন্যাশনাল স্যাম্পেল সার্ভের এক সমীক্ষা বলছে, স্কুল ও কলেজের পাশাপাশি পড়াশোনা বোঝার জন্য ছাত্রছাত্রীদের প্রাইভেট টিউটরের প্রয়োজন। কিন্তু সেখানেও তাঁদের সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।
প্রাইভেট টিউশনের পেশায় থাকা যুবক-যুবতীদের অভিযোগ, যোগ্যতা থাকলেও স্কুলে চাকরি পাননি। তাই ভালোবেসে বিকল্প পথ হিসাবে গৃহশিক্ষকতাকেই বেছে নিয়েছিলেন। কিন্তু স্কুল শিক্ষকরা বেআইনিভাবেই বাড়িতে ছাত্র পড়িয়ে চলায় গৃহশিক্ষকদের রুটি রুজিতে কোপ পড়ছে। ফলে তাঁরা চাইছেন, প্রাইভেট টিউশনকে বিকল্প পেশার স্বীকৃতি দিক সরকার, এই দাবিকে সামনে রেখে একজোট হলেন গৃহশিক্ষকরা।
বসিরহাটের খোলাপোতা তপনবন হাইস্কুলে সমাবেশের আয়োজন করেছিলেন প্রাইভেট টিউটররা। রাজ্যে একাধিক প্রান্ত থেকে এই পেশার সঙ্গে যুক্ত মানুষ যোগ দিয়েছিলেন। তাঁরা পেশা থাকা নানান অসুবিধার কথা তুলে ধরেন।
শুক্রবার সভা শেষে হওয়ার পরে সর্বভারতীয় গৃহ শিক্ষক সংগঠনের সভাপতি উজ্জ্বল দত্ত বলেন, ''সরকারি স্কুলের শিক্ষকরা মাস গেলে মোটা অঙ্কের বেতন পান। আবার স্কুলের সময়টুকু বাঁচিয়ে বাড়িতে কিংবা কোচিং সেন্টারে প্রাইভেট টিউশনও করেন। তাতে ওই শিক্ষকদের কাছে ছেলে-মেয়ের প্রাইভেট টিউশন পড়ানোর ঝোঁক থাকে অভিভাবকদেরও। এতে যে সকল যুবক-যুবতী ভালোবেসে শুধুমাত্র গৃহশিক্ষকতা করছেন, তাঁদের সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। তাই এই পেশাকে একটি বিকল্প পেশা হিসাবে স্বীকৃতি দেওয়ার দাবি জানাচ্ছি। ''