জোকার পরে নতুন শাখা গড়িয়ায়, কম খরচে বিশ্বমানের ফার্টিলিটি চিকিৎসা ক্রেডেলে
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ক্রেডেল ফার্টিলিটি সেন্টারের নতুন শাখা খুলেছে গড়িয়ায়। কবি নজরুল মেট্রো স্টেশন থেকে ৫ মিনিটের দূরত্বে এই নতুন এক্সটেনশন শাখা চালু হয়েছে এপ্রিল মাস থেকে। জোকার মূল শাখার পরে এই প্রথম নতুন শাখা খুলেছে তারা। ক্রেডেলের প্রতিষ্ঠ
শেষ আপডেট: 19 July 2021 12:12
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ক্রেডেল ফার্টিলিটি সেন্টারের নতুন শাখা খুলেছে গড়িয়ায়। কবি নজরুল মেট্রো স্টেশন থেকে ৫ মিনিটের দূরত্বে এই নতুন এক্সটেনশন শাখা চালু হয়েছে এপ্রিল মাস থেকে। জোকার মূল শাখার পরে এই প্রথম নতুন শাখা খুলেছে তারা। ক্রেডেলের প্রতিষ্ঠাতা ও ডিরেক্টর ডক্টর এসএম রহমান জানিয়েছেন, নতুন এই ক্রেডেল ক্লিনিকের দায়িত্বে রয়েছেন ডক্টর হানি কুরেশি। স্ত্রীরোগ ও বন্ধ্যত্ব চিকিৎসা বিশেষজ্ঞ ডক্টর হানি কুরেশির দক্ষতা ও তারুণ্যে দক্ষিণ কলকাতায় বন্ধ্যত্ব চিকিৎসার এক নতুন দিক খুলতে চলেছে, এ কথা বলাই যায়।
ডক্টর হানি কুরেশি জানালেন, গাইনোকলজির সমস্ত ধরনের সমস্যার চিকিৎসা তো এখানে মিলছেই, সেই সঙ্গে বন্ধ্যত্বের চিকিৎসা পরিষেবাও দেওয়া হচ্ছে বিশ্বমানের। সমস্ত রকমের টেস্ট, রক্তপরীক্ষা-- সবেরই সুবিধা রয়েছে নতুন এই শাখায়। আইভিএফ-ও করা হবে এখানে। যদিও সেটির মূল ল্যাব রয়েছে জোকাতেই। গড়িয়া সেন্টার এবং জোকা হাত মিলিয়েই কাজ করে চলেছে বন্ধ্যত্ব চিকিৎসায়।
ডক্টর রহমান জানিয়েছেন, যতটা সম্ভব কম খরচে বন্ধ্যত্ব চিকিৎসার টপ ফেসিলিটি দেওয়া যায়, সেটাই তাঁদের লক্ষ্য। এই নতুন ক্লিনিকের ক্ষেত্রেও এটাই প্রযোজ্য। প্রাথমিক ভাবে জানা গেছে, সপ্তাহে একদিন করে ডক্টর এসএম রহমান নিজে যাচ্ছেন সেখানে। বাকি সমস্ত কিছুর দায়িত্বে ও নেতৃত্বে রয়েছেন হানি কুরেশি।
ক্রেডেল ফার্টিলিটি সেন্টার তার যাত্রা শুরু করেছিলো ২০১৪ সালে। সাধ্যের মধ্যে বিশ্বমানের বন্ধ্যত্ব চিকিৎসাই ছিল এর প্রথম ও প্রধান উদ্দেশ্য। ডক্টর রহমানের কথায়, 'চতুর্দিকে ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে ওঠা আইভিএফ ক্লিনিকের মধ্যে নিজেদের স্বতন্ত্র ও কার্যকর হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার দায় ছিল ক্রেডেলের। উচ্চপ্রশিক্ষিত পেশাদার চিকিৎসকদের নিয়ে একটি টিম তৈরি করে, বানানো হয় বিশ্বমানের আইভিএফ ল্যাব এবং ওটি।'

লাগাতার পরিশ্রম ও উৎকৃষ্ট মেধা, সেইসঙ্গে দুরন্ত টিমওয়ার্কে সাফল্য আসে দ্রুতই। আজ ৭ বছরের মাথায় ২০২১ সালে ক্রেডেল ফার্টিলিটি সেন্টার বন্ধ্যত্ব চিকিৎসার এক উজ্জ্বল প্রতিষ্ঠান। রোগীরা স্বল্প খরচে সফল ভাবে সুস্থ সন্তানের বাবা-মা হয়ে চলেছেন বছরের পর বছর ধরে। তবে আত্মসন্তুষ্টির কোনও জায়গা নেই বলেই মনে করেন ডক্টর রহমান। তাঁর কথায়, “আমার এই পথ চলাতেই আনন্দ।”
নতুন গড়িয়া শেখার ইন চার্জ ডক্টর হানি কুরেশি জানিয়েছেন, যাঁরা দীর্ঘ দিন ধরে বিভিন্ন জটিল স্ত্রীরোগ বা বন্ধ্যত্বের সমস্যায় ভুগছেন, অনেক চেষ্টার পরেও পিতৃত্বের বা মাতৃত্বের সুখ পাননি, তাঁদের চিকিৎসার জন্য তাঁর টিম বদ্ধপরিকর। কলকাতার বুকে কম খরচে অত্যাধুনিক ও বিশ্বমানের চিকিৎসা পেতে ক্রেডেল ফার্টিলিটি সেন্টারের জুড়ি নেই।