
শেষ আপডেট: 31 May 2022 14:10
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ওমিক্রনের দুই সাব-ভ্যারিয়েন্ট বিএ.৪ এবং বিএ.৫ (Covid New Strain) সংক্রমণের খোঁজ মিলতে শুরু করেছে দেশে। তবে এ নিয়ে এখনই আতঙ্কিত হওয়ার কোনও কারণ নেই, এমনটাই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।
কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের রিপোর্ট বলছে, এই মুহূর্তে দেশে অ্যাকটিভ কোভিড রোগীর সংখ্যা ১৭ হাজার ৬৯৮। এই অবস্থায় ভাইরোলজিস্টদের বক্তব্য, সাবধানতা জরুরি। কিন্তু ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই কারণ দেশের একটা বড় সংখ্যক মানুষই হয় সংক্রমিত হয়েছেন নয়তো ভ্যাকসিন নিয়ে নিয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার মতো বাড়াবাড়ি বিশেষ হবে না বলেই মনে করা হচ্ছে।
ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিক্যাল রিসার্চের (আইসিএমআর) বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডক্টর সঞ্জয় পূজারী মনে করিয়ে দিয়েছেন, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে যদি অ্যান্টিবডি কমেও যায়, তাহলেও টি সেলগুলির সক্রিয়তা কার্যকরী থাকবে। এর ফলে মারাত্মক বাড়াবাড়ি সংক্রমণ হবে না। তাঁর কথায়, 'কোভিডের নতুন নতুন ভ্যারিয়েন্টগুলি রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতাকে অতিক্রম করে যাচ্ছে। সেটাই চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। একথাও সত্য, যে নতুন সাব ভ্যারিয়েন্টের এই অতিক্রম ক্ষমতা সর্বোচ্চ হবে। কিন্তু একই সঙ্গে শরীরে যে টি সেল তৈরি হয়েছে, তাদের ফলে নতুন সংক্রমণের খারাপ প্রভাব অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে থাকবে।'
অক্সফোর্ডের সেন্টার ফর এভিডেন্স বেস্ড মেডিসিন বিভাগের একটি রিপোর্ট বলছে, যাঁদের কোভিড হয়েছে, তাঁদের সকলের শরীরেই জোরালো টি সেল তৈরি হয়েছে যা দীর্ঘ সময়ের জন্য প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াবে।
ডক্টর সঞ্জয় পূজারী আরও জানিয়েছেন, ওমিক্রনের নতুন ভ্যারিয়েন্ট ও সাব-ভ্যারিয়েন্টগুলি শ্বাসযন্ত্রের উপর দিকে আক্রমণ করছে সাধারণত। এর ফলে শ্বাসের কষ্ট বিশেষ হচ্ছে না। তার ফলে অক্সিজেন দেওয়ার বা হাসপাতালে ভর্তি করার ঘটনা ঘটছে না।
মহারাষ্ট্রের জিনোম সিকোয়েন্সিং কোঅর্ডিনেটর ডক্টর রাজেশ কার্যকর্তা জানিয়েছেন, তাঁর টিমের সদস্যরা পুণের গবেষণাগারে ইতিমধ্যেই বিএ.৪ এবং বিএ.৫-এর খোঁজ পেয়েছেন। কিন্তু সেই রোগীদের যা যা উপসর্গ দেখা গেছে, তাতে এ কথা বলা যায়, যে আতঙ্কগ্রস্ত হওয়ার কোনও কারণ নেই। কোনও ভাবে এই ভাইরাস তার আচরণে বদল আনছে কিনা, সেদিকে কড়া নজর রাখা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, দক্ষিণ আফ্রিকায় ওমিক্রনের দুই ভ্যারিয়েন্ট বিএ.৪ এবং বিএ.৫-এর সংক্রমণে কোভিডের পঞ্চম ঢেউ এসে গিয়েছে। আমেরিকা এবং ইউরোপেও এই সংক্রমণ চড়চড়িয়ে বাড়ছে। ভারতেও ইতিমধ্যেই খোঁজ মিলেছে এর। এখন পরিস্থিতি কী দাঁড়ায়, সেদিকেই কড়া নজর চিকিৎসকদের।
বয়ঃসন্ধি এলেই মুখে আগুন! বেশি আসক্ত মহিলারা, বাড়ছে অনিয়মিত ঋতুস্রাব, বন্ধ্যত্ব