দ্য ওয়াল ব্যুরো: জয় নিশ্চিত হতেই সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের নামের সামনে থেকে 'চৌকিদার' শব্দটি তুলে নিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
চৌকিদার শব্দটি সরিয়ে মোদী টুইট করে লেখেন, "দেশের বহু মানুষ চৌকিদার হয়েছেন। দেশের প্রতি তাঁদের দায়িত্ব পালন করেছেন। দেশের নিরাপত্তার নিরিখে, চৌকিদার একটি শক্তিশালী চিহ্ন হয়ে উঠেছে ভারতে। জাতপ্রথা, সাম্প্রদায়িকতা, দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে দায়িত্ব পালন করেছেন এই চৌকিদাররা। এবার সময় এসেছে, এই চৌকিদার-স্পিরিটকে পরের ধাপে পৌঁছে দিতে হবে। "
বাকি নেতাদের নাম থেকেও চৌকিদার তুলে দিতে অনুরোধ করেন মোদী। তাঁর এই টুইটের কিছু ক্ষণ পরেই চৌকিদার তুলে নেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ-সহ বাকি সমস্ত বিজেপি নেতাই।
দেখুন মোদীর টুইট।
https://twitter.com/narendramodi/status/1131539657794183168
মার্চ মাসে এই চৌকিদার শব্দটি নিয়ে ভোটপ্রচার শুরু করেন নরেন্দ্র মোদী। দেশের উদ্দেশে বার্তা দেন, 'আমিও চৌকিদার'। ডাক দেন দুর্নীতির বিরুদ্ধে চৌকিদারি করার। তাঁর দলের কর্মী, সমর্থকদের কাছেও অনুরোধ করেন, তাঁদের সোশ্যাল মিডিয়ার অ্যাকাউন্টে নামের আগে চৌকিদার বসাতে। তিনি বলার পরেই অমিত শাহ, অরুণ জেটলি, রবিশঙ্কর প্রসাদ, পীযূষ গয়াল, স্মৃতি ইরানি, নিতিন গডকড়ী, সুষমা স্বরাজ প্রমুখ সমস্ত নেতা টুইটারে তাঁদের নামের আগে চৌকিদার বসান।
শুধু তা-ই নয়। দেশ জুড়ে বহু সমর্থকও সোশ্যাল মিডিয়ায় 'চৌকিদার' হয়ে ওঠেন। মোদী মার্চে বলেন, "দেশের সেবায় চৌকিদার দৃঢপ্রতিজ্ঞ। কিন্তু আমি একা নই। এই দেশে যাঁরাই দুর্নীতির বিরুদ্ধে, সামাজিক ক্ষয়ের বিরুদ্ধে কোনও না কোনও ভাবে রুখে দাঁড়চ্ছেন, তাঁরা সবাই চৌকিদার। দেশের উন্নয়নের লড়াইয়ে যাঁরা সামিল, তাঁরা সকলেই চৌকিদার। তাই তো আজ দেশের প্রতিটি মানুষ গলা মিলিয়ে বলছেন, ম্যায় ভি চৌকিদার!"