
শেষ আপডেট: 31 January 2020 18:30
এবারে হিসেব করে দেখা যাক পুরনো না নতুন কোন হারে কর দেওয়া আপনার পক্ষে লাভের।
যদি বার্ষিক আয় ৭.৫ লাখ টাকা হয়
পুরনো হিসেবে এই আয় থেকে ৮০সি ধারায় বিনিয়োগের জন্য আপনি ছাড় পাবেন ১,৫০,০০০ টকা। এবার নেট করযোগ্য আয় দাঁড়াল ৬,০০,০০০ টাকা। এতে কর দিতে হবে ৩৩,৮০০ টাকা। কিন্তু নতুন হারে কর দিলে দিতে হবে ৩৯,০০০ টাকা। অর্থাৎ, পুরনো নিয়মে ৫,২০০ টাকা কম কর দিতে হবে।
যদি বার্ষিক আয় ১০ লাখ টাকা হয়
এক্ষেত্রে নতুন হারের করের সুযোগ নেওয়াই বুদ্ধিমানের। পুরনো হিসেবে এই আয় থেকে ৮০সি ধারায় বিনিয়োগের জন্য আপনি ছাড় পাবেন ১,৫০,০০০ টকা। এবার নেট করযোগ্য আয় দাঁড়াল ৮,৫০,০০০ টাকা। এতে কর দিতে হবে ৮৫,৮০০ টাকা। কিন্তু নতুন হারে কর দিলে দিতে হবে ৭৮,০০০ টাকা। অর্থাৎ, নতুন নিয়মে ৭,৮০০ টাকা কর সাশ্রয় হবে।
যদি বার্ষিক আয় ১২.৫ লাখ টাকা হয়
এক্ষেত্রেও নতুন হারের করের সুযোগ নেওয়াই বুদ্ধিমানের। পুরনো হিসেবে এই আয় থেকে ৮০সি ধারায় বিনিয়োগের জন্য আপনি ছাড় পাবেন ১,৫০,০০০ টকা। এবার নেট করযোগ্য আয় দাঁড়াল ১১,০০,০০০ টাকা। এতে কর দিতে হবে ১,৪৮,২০০ টাকা। কিন্তু নতুন হারে কর দিলে দিতে হবে ১,৩০,০০০ টাকা। অর্থাৎ, নতুন নিয়মে ১৮,২০০ টাকা কর সাশ্রয় হবে।
যদি বার্ষিক আয় ১৫ লাখ টাকা হয়
এক্ষেত্রে নতুন হারের করের সুযোগ নেওয়াই বুদ্ধিমানের। পুরনো হিসেবে এই আয় থেকে ৮০সি ধারায় বিনিয়োগের জন্য আপনি ছাড় পাবেন ১,৫০,০০০ টকা। এবার নেট করযোগ্য আয় দাঁড়াল ১৩,৫০,০০০ টাকা। এতে কর দিতে হবে ২,২৬,২০০ টাকা। কিন্তু নতুন হারে কর দিলে দিতে হবে ১,৯৫,০০০ টাকা। অর্থাৎ, নতুন নিয়মে ৩১,২০০ টাকা কর সাশ্রয় হবে।
যদি বার্ষিক আয় ১৬ লাখ টাকা হয়
এক্ষেত্রে নতুন হারের করের সুযোগ নেওয়াই বুদ্ধিমানের। পুরনো হিসেবে এই আয় থেকে ৮০সি ধারায় বিনিয়োগের জন্য আপনি ছাড় পাবেন ১,৫০,০০০ টকা। এবার নেট করযোগ্য আয় দাঁড়াল ১৪,৫০,০০০ টাকা। এতে কর দিতে হবে ২,৫৭,৪০০ টাকা। কিন্তু নতুন হারে কর দিলে দিতে হবে ২,২৬,২০০ টাকা। অর্থাৎ, নতুন নিয়মে ৩১,২০০ টাকা কর সাশ্রয় হবে।