দ্য ওয়াল ব্যুরো: দিল্লিতে একটু আগে শুরু হয়েছে বিজেপির (BJP) জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠক। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, বিজেপি সভাপতি জেপি নাড্ডা, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ প্রমুখ উপস্থিত আছে। ভার্চুয়াল মাধ্যমের সাহায্যে বাড়ি থেকে যোগ দিয়েছেন লালকৃষ্ণ আদবানি, মুরলি মনোহর যোশীর মতো প্রবীণ নেতারা। এছাড়া জাতীয় কর্মসমিতির সদস্য রাজ্য স্তরের নেতা যোগ দিয়েছেন ভার্চুয়াল মাধ্যমেই নিজের নিজের রাজ্যের রাজধানী শহর থেকে। এই প্রথম কোনও রাজনৈতিক দলের বড়মাপের বৈঠক হাইব্রিড পদ্ধতি অনুষ্ঠিত হচ্ছে। বৈঠকের শুরুতে ভাষণ দেন সভাপতি নাড্ডা। বিকালে সমাপ্তি ভাষণ দেবেন মোদী।
বৈঠকের আলোচ্য স্থির করতে শনিবার দিল্লিতে দলের সর্ব-ভারতীয় সহ-সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদকদের সঙ্গে বৈঠক করেন সভাপতি জেপি নাড্ডা। বৈঠকে সদ্য অনুষ্ঠিত তিন লোকসভা এবং ৩০ বিধানসভা আসনের ফলাফল এবং পাঁচ রাজ্যের আসন্ন বিধানসভা ভোট নিয়ে কথা হবে। সেই সঙ্গে এক গুচ্ছ প্রস্তাব আনতে চলেছে দল। তারমধ্যে অন্যতম হল একশো কোটি ভারতবাসীকে করোনা টিকা দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর প্রশংসা। এছাড়া, পেট্রল-ডিজেলে উৎপাদন শুল্ক ছাড় এবং সদ্য সফল বিদেশ সফরের জন্যও মোদীর প্রশংসা করে প্রস্তাব পাশ করাতে চলেছে বিজেপি। এছাড়া আফগানিস্তানে তালিবান রাজ পরবর্তী আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি নিয়েও প্রস্তাব গ্রহণ করবে বিজেপি।
করোনা পরিস্থিতির কারণে ২০১৯-এর পর বিজেপির জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠক হয়নি। বর্তমান সভাপতি নাড্ডা গত মাসে জাতীয় কর্মসমিতি পুনর্গঠন করেছেন। তাতে স্থায়ী সদস্য আছেন ৮০জন। এছাড়া বিশেষ আমন্ত্রিত ৫০জন এবং স্থায়ী আমন্ত্রিতের তালিকায় আছেন আরও ১৭৯জন। নাড্ডার ভাষণ দিয়ে বৈঠকের সূচনা হবে। সমাপ্তি ভাষণ দেবেন মোদী।
সদ্য অনুষ্ঠিত উপনির্বাচনের ফল বিজেপির অস্বস্তি বাড়িয়ে দিয়েছে। সামনেই পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন। তার মধ্যে উত্তরপ্রদেশের মতো রাজনৈতিকভাবে স্পর্শকাতর রাজ্য রয়েছে। এছাড়া ভোট আসন্ন বিজেপি শাসিত আরও তিন রাজ্য উত্তরাখণ্ড, মণিপুর, গোয়া এবং কংগ্রেস শাসিত পাঞ্জাবে। আগামী বছরই মাঝামাঝি নাগাদ ভোট হওয়ার কথা মোদী-অমিত শাহের রাজ্য গুজরাট এবং নাড্ডার রাজ্য হিমাচল প্রদেশে। মোদী আজ কী বলেন সেদিকে চেয়ে বিজেপি নেতৃত্ব। যদিও উপনির্বাচনের ফলে স্পষ্ট মোদী ম্যাজিক আর আগের মতো কাজ করছে না।