Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
অ্যাপল ওয়াচ থেকে ওউরা রিং, কেন একসঙ্গে ৩টি ডিভাইস পরেন মুখ্যমন্ত্রী? নেপথ্যে রয়েছে বড় কারণপ্রসবের তাড়াহুড়োয় ভয়াবহ পরিণতি! আশাকর্মীর গাফিলতিতে দু'টুকরো হল শিশুর দেহ, মাথা রয়ে গেল গর্ভেইনীতীশ জমানার অবসান! বিহারের মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা ‘সুশাসন বাবু’র, কালই কি উত্তরসূরির শপথমুম্বইয়ের কনসার্টে নিষিদ্ধ মাদকের ছড়াছড়ি! 'ওভারডোজে' মৃত্যু ২ এমবিএ পড়ুয়ার, গ্রেফতার ৫IPL 2026: ‘টাইগার জিন্টা হ্যায়!’ পাঞ্জাবকে শুভেচ্ছা জানিয়ে ভাইরাল মিমের স্মৃতি উসকে দিলেন সলমন আইপ্যাকের ডিরেক্টর গ্রেফতারের পর এবার পরিবারের পালা! ইডির নজরে প্রতীক জৈনের স্ত্রী ও ভাই, তলব দিল্লিতেSakib Hussain: গয়না বেচে জুতো কিনেছিলেন মা, সেই ছেলেই আজ ৪ উইকেট ছিনিয়ে আইপিএলের নতুন তারকা হয় গ্রেফতার, নয় কৈফিয়ত! অমীমাংসিত পরোয়ানা নিয়ে কলকাতার থানাগুলোকে নির্দেশ লালবাজারের‘মমতা দুর্নীতিগ্রস্ত! বাংলায় শুধু সিন্ডিকেট চলে, কাজই বেকারের সংখ্যা বাড়ানো’, মালদহে রাহুল‘আমার মতো নয়’! সন্দেহের বশে ৬ বছরের ছেলেকে নদীতে ফেলে খুন, দেহ ভেসে উঠতেই ফাঁস বাবার কীর্তি

নেকড়ের কামড়ে বর্ধমানে জখম ১৫ জন, আতঙ্কে পিটিয়ে মারলেন গ্রামবাসীরা

কিন্তু জঙ্গলে খাবারের অভাব রয়েছে। তাই মাঝে মধ্যে হেরোল হানা দেয় লোকালয়ে। ভেড়া বা ছাগলের মতো সহজ শিকার ধরে।এই প্রবণতার কারণে হেরোলের সঙ্গে মানুষের সংঘাত বাড়ছে।

নেকড়ের কামড়ে বর্ধমানে জখম ১৫ জন, আতঙ্কে পিটিয়ে মারলেন গ্রামবাসীরা

নেকড়ের কামড়ে জখম গ্রামবাসী

শেষ আপডেট: 27 December 2024 16:49

দ্য ওয়াল ব্যুরো, পূর্ব বর্ধমান: নেকড়ের কামড়ে প্রায় ১৫ জন জখম হলেন বর্ধমানে। আতঙ্কে নেকড়েটিকে পিটিয়ে মারার অভিযোগ উঠল গ্রামবাসীদের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় তুমুল শোরগোল পড়ল বুদবুদ থানা এলাকার দেবশালার গোবিন্দপুর গ্রামে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান বর্ধমান রেঞ্জের বনকর্মীরা। 

হেরোল আসলে বুনো দেশি নেকড়ে। এরা ক্যানাইন প্রজাতির। ভারতীয় উপমহাদেশেই দেখা মেলে এই ইন্ডিয়ান গ্রে উলফের। গত কয়েক বছর ধরে সংখ্যা বেড়েছে। কাঁকসা ও আউশগ্রামের জঙ্গলমহলে শিয়াল যেমন আছে, হায়েনাও আছে। আর আছে নেকড়ে। স্থানীয় ভাষায় হায়েনাকে আধবাঘা আর নেকড়েকে হেরোল বলা হয়। একটি রিসার্চ বলছে এদের সংখ্যা কম করে পঞ্চাশ থেকে দেড়শোর কাছাকাছি হতে পারে। একসময় জঙ্গল অনেকটা নষ্ট হয়ে গিয়েছিল। বাম আমলে যে নিবিড় বনসৃজন প্রকল্প হয়, সেসময় আবার গাছপালা বাড়ে। সেই থেকে অনুকুল পরিবেশ পেয়ে ফিরে এসেছে হেরোলরা।

কিন্তু জঙ্গলে খাবারের অভাব রয়েছে। তাই মাঝে মধ্যে হেরোল হানা দেয় লোকালয়ে। ভেড়া বা ছাগলের মতো সহজ শিকার ধরে। এদের এই প্রবণতার কারণে হেরোলের সঙ্গে মানুষের সংঘাত বাড়ছে। হেরোলের কামড়ের কথা এর আগেও শোনা গেছে। আজকেও একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি। বর্ধমান অ্যানিমাল ওয়েলফেয়ার সোসাইটির সদস্য অর্ণব দাস বলেন, "হেরোল পরিবেশে এক গুরুত্বপূর্ণ প্রাণী। ওই হেরোলটি র‍্যাবিসে আক্রান্ত ছিল কি না, তা নিশ্চয়ই দেখা হবে। এই প্রাণীদের নিয়ে মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে হবে। সংঘাতের পরিবেশ কমাতে হবে।"

পূর্ব বর্ধমান জেলার  বিভাগীয় বনাধিকারিক সঞ্চিতা শর্মা জানান, মৃত হেরোলটিকে বর্ধমানে নিয়ে আসা হচ্ছে। সেখানে তার ময়নাতদন্তের প্রক্রিয়া চলবে। হেরোলটির হিংস্র হয়ে ওঠার পিছনে র‍্যাবিস বা ডিস্টেম্পারের মতো রোগ ছিল কিনা তা ময়নাতদন্তের পর জানা যাবে। মানুষের সঙ্গে সংঘাত কমাতে বন লাগোয়া এলাকায় সচেতনতা বাড়ানো হবে।


```