
প্রতীকী ছবি।
শেষ আপডেট: 5 February 2025 15:44
দ্য ওয়াল ব্যুরো: মাত্র ৮ মাস আগের ঘটনা! ধার দেনা করে বেশ জাঁকজমক করেই মেয়ের বিয়ে দিয়েছিলেন বাবা। মঙ্গলবার রাতে সেই মেয়ের মৃত্যুর খবর শুনে জামাই-সহ শ্বশুরবাড়ির বিরুদ্ধে অত্যাচারের অভিযোগে সরব হলেন নিহত বধূর বাবা।
উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাট মহকুমার মাটিয়া থানার স্বরূপনগরের ঘটনা। অভিযোগের ভিত্তিতে খুনের মামলা রুজু করে ঘটনার তদন্তে নেমেছে পুলিশ। ঘটনার পর থেকেই জামাই-সহ শ্বশুরবাড়ির অভিযুক্তরা পলাতক।
নিহত বধূর নাম তুহিনা পারভিন। হাসনাবাদ থানার বরুনাটে রামেশ্বরপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের কালুতলা গ্রামে তুহিনার বাপের বাড়ি। আট মাস আগে সাব্বির আহমেদ মণ্ডলের সঙ্গে তার বিয়ে হয়।
গৃহবধূর বাবা খলিলুর রহমান গাজি পুলিশকে জানান, বিয়ের পর থেকেই এটা, সেটা বাপের বাড়ি থেকে নিয়ে আসার জন্য মেয়ের ওপর জামাই চাপ দিত। গত রবিবার বায়না ধরেছিল, বুলেট গাড়ি দিতে হবে। মেয়ে ওদেরকে বলে, বাবা সামান্য গৃহশিক্ষক। চাষবাস করে কোনওমতে সংসার চালান। পারবেন না। তাতেই ক্ষিপ্ত হয়ে ওরা মেয়েকে মেরে ফেলল।
মঙ্গলবার দুপুরে তুহিনার শ্বশুরবাড়ির তরফে ফোন করে খলিলুর রহমানকে জানানো হয় যে তাঁদের মেয়ে মারা গিয়েছে। বুধবার সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেন, "খবর পেয়ে ধান্যকুড়িয়া হাসপাতালে গিয়ে দেখি মেয়ের গলায় এবং শরীরের একাধিক জায়গায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। যা থেকে স্পষ্ট, শ্বাসরোধ করে মেরে ঝুলিয়ে দিয়েছে।"
এরপরই মৃত বধুর বাবা খলিলুর রহমান গাজি, মাটিয়া থানায় জামাই সাবির আহমেদ মণ্ডল-সহ শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে খুনের মামলা রুজু করেন।