Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
এখনই সুরাহা নেই! রান্নার গ্যাসের আকাল চলতে পারে আরও ৪ বছর, দুশ্চিন্তা বাড়বে ভারতের আমজনতার?লোকসভার আসন বেড়ে হচ্ছে ৮৫০, কতটা লাভ বাংলার? সবচেয়ে বেশি ও কম সিট বাড়ছে কোন রাজ্যে?নববর্ষে কলকাতা সফরে আইওসি-র শীর্ষ কর্তা, এলপিজির বাস্তব পরিস্থিতি দেখতে হাজির গ্যাসের দোকানেও৮ হাজার লিটার গঙ্গাজল, গরু আর রুপোর কলসী! ফিরে দেখা জয়পুরের মহারাজার আজব লন্ডন-সফরগুয়ার্দিওলা-পরবর্তী ফুটবলের নমুনা মেলে ধরেছে কোম্পানি আমলের বায়ার্ন! আজ সামনে রিয়ালআশা ভোঁসলের শেষযাত্রায় যাননি শাহরুখ-সলমন! বিতর্কের অবসান ঘটিয়ে সামনে এল আসল কারণভোটের মুখে হুগলিতে চরম অস্বস্তিতে বিজেপি! ক্ষুব্ধ স্মৃতি ইরানি মাঝপথেই ছাড়লেন শোভাযাত্রা‘ইলিশ এনে দিন, আমি বেছে খাইয়ে দিচ্ছি’, তৃণমূলের মাছ-মাংস বন্ধের অভিযোগের পাল্টা স্মৃতির ‘আশা করি আগের বছরের মতো হবে না’, নববর্ষে আবারও আশায় বুক বাঁধলেন শাশ্বতআমেরিকার অবরোধ তুলতে বিকল্প পথে হাঁটছে ইরান, হরমুজ ছাড়া অন্য রাস্তায় জাহাজ চালানোর চেষ্টা?

'আমরা করাচ্ছি না এমন নয়', ছাত্র সংসদের নির্বাচন সংক্রান্ত মামলায় হাইকোর্টে যুক্তি রাজ্যের

কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে অ্যান্টি-র‍্যাগিং কমিটি গঠন হয় ঠিকই, তবে ভোটের ক্ষেত্রে মূল দায়িত্ব থাকে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের। 

'আমরা করাচ্ছি না এমন নয়', ছাত্র সংসদের নির্বাচন সংক্রান্ত মামলায় হাইকোর্টে যুক্তি রাজ্যের

ফাইল ছবি

সৌভিক বন্দ্যোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: 26 August 2025 14:07

দ্য ওয়াল ব্যুরো: রাজ্যের সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংসদ নির্বাচন (Students Union Election) সংক্রান্ত মামলার শুনানিতে মঙ্গলবারও কোনও সুরাহা হল না।

এদিন কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) রাজ্যের তরফে সওয়াল করতে গিয়ে আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় (Kalyan Banerjee) দাবি করেন, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে অ্যান্টি-র‍্যাগিং কমিটি (Anti Ragging Committee) গঠন হয় ঠিকই, তবে ভোটের ক্ষেত্রে মূল দায়িত্ব থাকে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের। রাজ্য সরকার নির্বাচনের পথে বাধা দেয়নি, বরং বিশ্ববিদ্যালয়গুলি নিজেরাই নির্বাচন করছে না।

বিচারপতি সুজয় পাল ও বিচারপতি স্মিতা দাস দে-এর ডিভিশন বেঞ্চে তাঁর বক্তব্য, “২০১৩ সালের পর থেকে রাজ্যের তরফে নির্বাচন বন্ধ হয়নি। আমাদের দোষ কোথায়? বিশ্ববিদ্যালয়গুলি ভোট করাচ্ছে না, রাজ্য আটকায়নি।” কল্যাণ উদাহরণ টেনে বলেন, জহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়েও (জেএনইউ) নির্বাচন হয়নি। কিন্তু দিল্লি হাইকোর্ট তাতে হস্তক্ষেপ করেনি। তার জবাবে আদালত জানিয়ে দেয়, এ মামলা তার থেকে আলাদা।

অন্যদিকে, আইনজীবী সায়ন আদালতে বলেন, “কলেজগুলিতে ছাত্র সংগঠনের পার্টি রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে সেগুলি নিয়ে পদক্ষেপ করতে হবে।” এই প্রেক্ষিতে বিচারপতির মন্তব্য, সব কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়কে মামলার পার্টি করতে হবে। অন্যদিকে, মামলাকারীর পক্ষের আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য আদালতে প্রস্তাব দেন, আগামী ১১ সেপ্টেম্বর এই মামলার পরবর্তী শুনানি হোক।

সব পক্ষের বক্তব্য শুনে আদালত শেষ পর্যন্ত জানায়, রুল চ্যালেঞ্জ মামলার পরবর্তী শুনানি ১১ সেপ্টেম্বর হবে। আর ছাত্র ভোট না হওয়া সংক্রান্ত মামলার শুনানি হবে আগামী ১০ নভেম্বর।

এই মামলার গত শুনানিতে উপাচার্য নিয়োগ ইস্যুটি উঠেছিল। রাজ্যের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছে, অন্তর্বর্তীকালীন উপাচার্যরা কোনও নীতিগত সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন না। সুতরাং ছাত্র সংসদ নির্বাচন নিয়ে পদক্ষেপ করার ক্ষমতা তাঁদের নেই। তবে আদালতের পর্যবেক্ষণ ছিল, যেখানে নিয়মিত উপাচার্য রয়েছেন, সেখানে দ্রুত ছাত্র সংসদ নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে।

প্রসঙ্গত, দীর্ঘদিন ধরেই পশ্চিমবঙ্গের বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে ছাত্র সংসদ নির্বাচন বন্ধ রয়েছে। এই ইস্যুতে বিভিন্ন ছাত্র সংগঠন আন্দোলনেও নেমেছে।


```