নতুন বছরের শুরুতে তাঁর কথায় ধরা পড়ল আশার সুর। “আশা করি আগের বছরের মতো হবে না। সবাইকে আশা নিয়েই বাঁচতে হয়। আজ একটা সুন্দর সকাল শুরু হল, চাই বছরটাও তেমনই ভালো কাটুক,” বললেন তিনি। অভিনেতার কথার মধ্যে যেন একদিকে আশার আলো, অন্যদিকে সাম্প্রতিক সময়ের অভিজ্ঞতার ছায়াও স্পষ্ট বোঝা গেল।

শেষ আপডেট: 15 April 2026 17:50
দ্য ওয়াল ব্যুরো: নববর্ষের সকালে উৎসবের আবহে ভাসল টলিপাড়া। নানা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে শিল্পীদের ভিড়, শুভেচ্ছা আর আড্ডায় জমে উঠল দিন। সেই পরিবেশেই দিন শুরু করলেন অভিনেতা শাশ্বত চট্টোপাধ্যায় (Saswata Chatterjee)—সবার সঙ্গে মিশে, আনন্দে গা ভাসিয়ে নববর্ষ পালন করলেন তিনি।
নতুন বছরের শুরুতে তাঁর কথায় ধরা পড়ল আশার সুর। “আশা করি আগের বছরের মতো হবে না। সবাইকে আশা নিয়েই বাঁচতে হয়। আজ একটা সুন্দর সকাল শুরু হল, চাই বছরটাও তেমনই ভালো কাটুক,” বললেন তিনি। অভিনেতার কথার মধ্যে যেন একদিকে আশার আলো, অন্যদিকে সাম্প্রতিক সময়ের অভিজ্ঞতার ছায়াও স্পষ্ট বোঝা গেল।
এদিন তাঁর পরনে ছিল ধুতি-পাঞ্জাবি—একেবারে বাঙালিয়ানার ছাপ। পোশাক প্রসঙ্গে প্রশ্ন করতেই খানিক নস্টালজিয়ার সুরে জানালেন, “একসময় বাঙালিরা ধুতি-পাঞ্জাবি পরেই কাজে যেতেন। এখন সেই অভ্যাস অনেকটাই হারিয়ে গিয়েছে। আমরা অন্তত বছরে একদিন এই পোশাকটা পরি। কাজের চাপে অন্য সময় আর হয়ে ওঠে না।”
নববর্ষ মানেই বাঙালির কাছে উৎসব, খাওয়াদাওয়া আর ঘুরে বেড়ানো। সেই প্রসঙ্গেই নিজের মতো করে বাঙালির উদযাপনের এক চেনা ছবি তুলে ধরলেন শাশ্বত। তাঁর কথায়, “বাঙালি যে কোনও উপলক্ষেই আনন্দ খুঁজে নিতে জানে। বেড়াতে যেতে ভালবাসে, খেতে ভালবাসে—সেখানেই সবচেয়ে বেশি খরচও করে। আসলে বাঙালি ভালভাবে বাঁচতে চায়।”
তবে এই আনন্দের মধ্যেও রয়েছে এক চাপা বাস্তবতা। চারপাশের পরিস্থিতির দিকে ইঙ্গিত করে অভিনেতার মন্তব্য, “এখন যা চলছে, তার মধ্যে একটু আনন্দ খুঁজছি—বিশ্বাস করুন।” আনন্দ আর অনিশ্চয়তার এই মিশেলেই শুরু হল নববর্ষ—যেখানে উৎসব আছে, আছে ভালো থাকার একরাশ প্রত্যাশাও।