দ্য ওয়াল ব্যুরো: মেলবোর্ন টেস্ট জয়ের পরেই তৃতীয় টেস্টে ভারতের কী দল হতে পারে, সেই নিয়ে আলোচনা শুরু হয়ে গেল। এমন একটি পরিস্থিতি দলের প্রথম একাদশ কী করে সাজালে আরও ভাল হয়, সেটি বাছতে তদন্ত কমিটি বসাতে হবে। তার একটাই কারণ, সবাই নিজেদের ছাপিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছে গত ম্যাচে।
সেক্ষেত্রে দুটি তিনটি স্থান নিয়ে কথা হচ্ছে বেশি। একজন ওপেনার মায়াঙ্ক আগরওয়াল, অন্যজন হনুমা বিহারী, শেষজন উমেশ যাদব, তিনি চোটের কবলে, সেই কারণে নটরাজন দলে আসতে পারেন। শুভমান গিল ওপেনার হিসেবে সফল, তাঁর প্রশংসাও করেছেন দলনায়ক আজাঙ্ক রাহানে। সমস্যায় পড়তে পারেন মায়াঙ্ক, তিনি ছন্দে নেই। মনে করা হচ্ছে, চোট কাটিয়ে রোহিত শর্মা ফিরলে মায়াঙ্ক বসবেন।
হনুমার পরিবর্তে লোকেশ রাহুল দলে আসতেই পারেন। রাহুল গত ম্যাচেই আসতেন কোহলির বদলে। কিন্তু টিম ম্যানেজমেন্ট অলরাউন্ডার রবীন্দ্র জাদেজাকে আনায় সেই ছক খেটে গিয়েছে। হনুমাও ভাল ফর্মে নেই। তবে ঋদ্ধিমান সাহার দলে আসার সম্ভাবনা কম। কারণ ঋষভ পন্থ ভাল ব্যাটিং ও কিপিং করেছেন। তাঁর প্রতি ভরসা রয়েছে দলের।
এদিকে, সিডনি টেস্ট শুরু হবে ৭ জানুয়ারি থেকে। সপ্তাহ খানেকের বেশি বাকি রয়েছে। কিন্তু ভারতীয় দল অতি সতর্কতা অবলম্বন করে মেলবোর্নেই থেকে যাচ্ছে বর্তমানে।
পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুয়ায়ী ৩১ ডিসেম্বর মেলবোর্ন থেকে সিডনি পৌঁছনোর কথা ছিল দুই দলের৷ কিন্তু সিডনিতে করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় এক সময় এসসিজি-তে টেস্ট হওয়া নিয়েই সংশয় ছিল৷ কিন্তু মঙ্গলবারই ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার তরফে জানিয়ে দেওয়া হয় তৃতীয় টেস্ট হবে সিডনিতেই৷
আপাতত এমসিজি-তে অনুশীলন করবেন দুই দলের ক্রিকেটাররা৷ ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার সিইও নিক হকলি জানান, ম্যাচের ৭২ ঘণ্টা আগে সিডনিতে পৌঁছবে দুই দল। সেখানে গিয়ে যাতে করোনায় কোনওভাবে ক্রিকেটাররা আক্রান্ত না-হয়ে পড়েন সে কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
ওই আধিকারিক আরও জানিয়েছেন, ‘‘কুইন্সল্যান্ড সরকারের সঙ্গে আমাদের এই ব্যাপারে আলোচনা হয়েছে। তারা যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। কিন্তু মাঠে দর্শক প্রবেশ করতে পারবে কিনা, সেটি এখনও সিদ্ধান্ত হয়নি।’’ পাশাপাশি সিডনি টেস্টের তৃতীয় দিনটিকে ম্যাকগ্রথ ডে হিসেবে পালন করা হয়। ওই দিন স্বয়ং ম্যাকগ্রথকে আনারও চেষ্টা করা হবে।